বরিশালে স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ দুইজনের যাবজ্জীবন
jugantor
বরিশালে স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ দুইজনের যাবজ্জীবন

  বরিশাল ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার পরকীয়া প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুজনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বরিশাল জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক টিএম মুসা মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাবুগঞ্জের দক্ষিণ চাঁদপাশার আ. সত্তার হাওলাদারের মেয়ে শারমিন জাহান সুমা ওরফে ময়না এবং তার পরকীয়া প্রেমিক বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার আ. মন্নান ওরফে মনা ফকিরের ছেলে মনির হোসেন ওরফে উজ্জল ফকির। মামলা সূত্রে জানা যায়, কবিরুল ইসলাম লিটন ২০১৪ সালের ৩০ মার্চ বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দায় আসামি মনির হোসেন ওরফে উজ্জল ফকিরের বাসায় বেড়াতে যান। ওইদিন তাকে অপহরণের পর হত্যা করে কীর্তনখোলা নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়। ৩ এপ্রিল লিটনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বন্দর থানার এসআই হেমায়েত কবির বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মামলাটি তদন্ত করেন। তদন্তে পরকীয়ার কারণে ভিকটিম কবিরুল ইসলাম লিটনকে তার স্ত্রী ময়না ও তার পরকীয়া প্রেমিক মনির হত্যা করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্ত কর্মকর্তা ময়না এবং মনিরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ২৪ জনের সাক্ষ্য প্রদান করলে আসামিরা দোষী সাব্যস্ত হয়।

বরিশালে স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ দুইজনের যাবজ্জীবন

 বরিশাল ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার পরকীয়া প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুজনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বরিশাল জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক টিএম মুসা মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাবুগঞ্জের দক্ষিণ চাঁদপাশার আ. সত্তার হাওলাদারের মেয়ে শারমিন জাহান সুমা ওরফে ময়না এবং তার পরকীয়া প্রেমিক বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার আ. মন্নান ওরফে মনা ফকিরের ছেলে মনির হোসেন ওরফে উজ্জল ফকির। মামলা সূত্রে জানা যায়, কবিরুল ইসলাম লিটন ২০১৪ সালের ৩০ মার্চ বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দায় আসামি মনির হোসেন ওরফে উজ্জল ফকিরের বাসায় বেড়াতে যান। ওইদিন তাকে অপহরণের পর হত্যা করে কীর্তনখোলা নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়। ৩ এপ্রিল লিটনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বন্দর থানার এসআই হেমায়েত কবির বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মামলাটি তদন্ত করেন। তদন্তে পরকীয়ার কারণে ভিকটিম কবিরুল ইসলাম লিটনকে তার স্ত্রী ময়না ও তার পরকীয়া প্রেমিক মনির হত্যা করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্ত কর্মকর্তা ময়না এবং মনিরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ২৪ জনের সাক্ষ্য প্রদান করলে আসামিরা দোষী সাব্যস্ত হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন