রাবিতে ধীরগতির ইন্টারনেটে ভোগান্তি
jugantor
রাবিতে ধীরগতির ইন্টারনেটে ভোগান্তি

  রাবি প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পঠন-পাঠন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে কয়েক বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফিও আদায় করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনো মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও ছাত্রীদের মোট আবাসিক হল ১৭টি। এগুলোয় আসন রয়েছে প্রায় আট হাজার। আবাসিক প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ইন্টারনেট ফি বাবদ ৪০০ টাকা দিতে হয়। এ ছাড়া অনাবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন ১৬ হাজারের বেশি। এসব শিক্ষার্থীকে বছরে ১৮০ টাকা করে ফি দিতে হয়।

সৈয়দ আমীর আলী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন পলাশ যুগান্তরকে বলেন, ইন্টারনেটের জন্য আমরা ফি দিই। এর পরও ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারি না। বিভাগের পড়াশোনা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় ইন্টারনেটে দেখতে হয়। ভোরে গতি কিছুটা ভালো থাকে। তবে দিনের অন্য সময় ইউজার (ব্যবহারকারী) বেশি হওয়ায় খুবই ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

শহিদ জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থী মো. ইসা হক বলেন, পড়াশোনা সম্পর্কিত অনেক বিষয়ে আমরা অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল। অথচ দিনের বেশির ভাগ সময় ইন্টারনেটের গতি থাকে ১০০ থেকে ১৫০ কেবিপিএস; যা দিয়ে অনেক সাইটে প্রবেশ করাই যায় না। রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাহফুজা আক্তার বলেন, হলে নামমাত্র ওয়াই-ফাই ব্যবস্থা চালু আছে। এমন ধীরগতির নেটে ভোগান্তিই বরং বেশি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. বাবুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আবাসিক হলগুলোর প্রাধ্যক্ষদের সঙ্গে ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা উদ্যোগ নিলে আইসিটি সেন্টার সব ধরনের সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। মূলত ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এবং ইন্টারনেটের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, ইন্টারনেট সেবার স্থায়ী সমাধান করতে হলে প্রতিটি আবাসিক ও একাডেমিক ভবনে ইন্টারনেট ব্রাউজিং রুম করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় ইন্টারনেটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ অব্যবহৃত ছিল। ফলে এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। উপাচার্যের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করেছি। আশা করি সমস্যা দ্রুত নিরসন হবে।

রাবিতে ধীরগতির ইন্টারনেটে ভোগান্তি

 রাবি প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পঠন-পাঠন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে কয়েক বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফিও আদায় করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনো মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও ছাত্রীদের মোট আবাসিক হল ১৭টি। এগুলোয় আসন রয়েছে প্রায় আট হাজার। আবাসিক প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ইন্টারনেট ফি বাবদ ৪০০ টাকা দিতে হয়। এ ছাড়া অনাবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন ১৬ হাজারের বেশি। এসব শিক্ষার্থীকে বছরে ১৮০ টাকা করে ফি দিতে হয়।

সৈয়দ আমীর আলী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন পলাশ যুগান্তরকে বলেন, ইন্টারনেটের জন্য আমরা ফি দিই। এর পরও ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারি না। বিভাগের পড়াশোনা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় ইন্টারনেটে দেখতে হয়। ভোরে গতি কিছুটা ভালো থাকে। তবে দিনের অন্য সময় ইউজার (ব্যবহারকারী) বেশি হওয়ায় খুবই ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

শহিদ জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থী মো. ইসা হক বলেন, পড়াশোনা সম্পর্কিত অনেক বিষয়ে আমরা অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল। অথচ দিনের বেশির ভাগ সময় ইন্টারনেটের গতি থাকে ১০০ থেকে ১৫০ কেবিপিএস; যা দিয়ে অনেক সাইটে প্রবেশ করাই যায় না। রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাহফুজা আক্তার বলেন, হলে নামমাত্র ওয়াই-ফাই ব্যবস্থা চালু আছে। এমন ধীরগতির নেটে ভোগান্তিই বরং বেশি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. বাবুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আবাসিক হলগুলোর প্রাধ্যক্ষদের সঙ্গে ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা উদ্যোগ নিলে আইসিটি সেন্টার সব ধরনের সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। মূলত ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এবং ইন্টারনেটের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, ইন্টারনেট সেবার স্থায়ী সমাধান করতে হলে প্রতিটি আবাসিক ও একাডেমিক ভবনে ইন্টারনেট ব্রাউজিং রুম করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় ইন্টারনেটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ অব্যবহৃত ছিল। ফলে এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। উপাচার্যের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করেছি। আশা করি সমস্যা দ্রুত নিরসন হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন