খুলনায় তিন পুলিশসহ পাঁচজনের কারাদণ্ড
jugantor
চাঁদাবাজির মামলা
খুলনায় তিন পুলিশসহ পাঁচজনের কারাদণ্ড

  খুলনা ব্যুরো  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁদাবাজির মামলায় খুলনায় তিন পুলিশসহ পাঁচ আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম আশিকুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে এই রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, তিন কনস্টেবল মোল্লা মেসবাহ উদ্দিন (পলাতক), মো. ফরহাদ আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান (পলাতক) এবং তাদের সহযোগী আরমান শিকদার জনি ও মো. বায়েজিদ। তাদের মধ্যে কনস্টেবল তিনজন খুলনা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। আদালত তাদের প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বিকালে আসামিরা সাদা পোশাকে মো. শাহরিয়ার রিন্টু ও আবু ইছহাক নামের দুই ব্যক্তিকে দৌলতপুর বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে আটকে রাখেন। এ সময় আসামি মেজবাহ নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে তাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি করা টাকা পরিশোধ করলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানান। দর কষাকষির একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পরে এলাকাবাসী ঘটনাটি দৌলতপুর থানায় জানালে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে আটক দুইজনকে উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন তিন পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দুজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বাবলু খান তাদের পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চাজর্শিট দেন।

চাঁদাবাজির মামলা

খুলনায় তিন পুলিশসহ পাঁচজনের কারাদণ্ড

 খুলনা ব্যুরো 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁদাবাজির মামলায় খুলনায় তিন পুলিশসহ পাঁচ আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম আশিকুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে এই রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, তিন কনস্টেবল মোল্লা মেসবাহ উদ্দিন (পলাতক), মো. ফরহাদ আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান (পলাতক) এবং তাদের সহযোগী আরমান শিকদার জনি ও মো. বায়েজিদ। তাদের মধ্যে কনস্টেবল তিনজন খুলনা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। আদালত তাদের প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বিকালে আসামিরা সাদা পোশাকে মো. শাহরিয়ার রিন্টু ও আবু ইছহাক নামের দুই ব্যক্তিকে দৌলতপুর বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে আটকে রাখেন। এ সময় আসামি মেজবাহ নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে তাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি করা টাকা পরিশোধ করলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানান। দর কষাকষির একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পরে এলাকাবাসী ঘটনাটি দৌলতপুর থানায় জানালে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে আটক দুইজনকে উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন তিন পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দুজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বাবলু খান তাদের পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চাজর্শিট দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন