ওজন স্কেল বন্ধে সেতুমন্ত্রীকে চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠি
jugantor
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
ওজন স্কেল বন্ধে সেতুমন্ত্রীকে চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠি

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের অন্য কোথাও না থাকলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড ও মীরসরাইয়ে ওজন স্কেল বসানোর ফলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ফলে ওজন স্কেল বন্ধ করতে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে সোমবার জরুরি চিঠি পাঠিয়েছেন চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

চিঠিতে চেম্বার সভাপতি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে সারা দেশে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই এলাকায় মহাসড়কে ২০১৮ সালে ১৩ টন ওজনের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল চালু করা হয়। এই নিয়ন্ত্রণের ফলে চট্টগ্রাম থেকে পণ্য পরিবহণ ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে চট্টগ্রামের মাধ্যমে আমদানি বাণিজ্য দিন দিন হ্রাস পেতে থাকে। দেশের অন্য অঞ্চলে ওজন স্কেল না থাকায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হওয়ার কারণে সরকারের কাছে এই ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল বাতিল করার জন্য বারবার আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তখন সারা দেশের মহাসড়কে একই ধরনের ওজন স্কেল স্থাপন করা হবে বলে সরকারিভাবে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের জানানো হয়।

চেম্বার সভাপতি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের অসম প্রতিযোগিতা ও আর্থিক ক্ষতির অন্যতম কারণ এই নিয়ন্ত্রণ স্কেল চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কেই কেবল বিদ্যমান রয়েছে। ফলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অন্য অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

ওজন স্কেল বন্ধে সেতুমন্ত্রীকে চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠি

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের অন্য কোথাও না থাকলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড ও মীরসরাইয়ে ওজন স্কেল বসানোর ফলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ফলে ওজন স্কেল বন্ধ করতে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে সোমবার জরুরি চিঠি পাঠিয়েছেন চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

চিঠিতে চেম্বার সভাপতি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে সারা দেশে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই এলাকায় মহাসড়কে ২০১৮ সালে ১৩ টন ওজনের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল চালু করা হয়। এই নিয়ন্ত্রণের ফলে চট্টগ্রাম থেকে পণ্য পরিবহণ ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে চট্টগ্রামের মাধ্যমে আমদানি বাণিজ্য দিন দিন হ্রাস পেতে থাকে। দেশের অন্য অঞ্চলে ওজন স্কেল না থাকায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হওয়ার কারণে সরকারের কাছে এই ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল বাতিল করার জন্য বারবার আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তখন সারা দেশের মহাসড়কে একই ধরনের ওজন স্কেল স্থাপন করা হবে বলে সরকারিভাবে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের জানানো হয়।

চেম্বার সভাপতি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের অসম প্রতিযোগিতা ও আর্থিক ক্ষতির অন্যতম কারণ এই নিয়ন্ত্রণ স্কেল চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কেই কেবল বিদ্যমান রয়েছে। ফলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অন্য অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন