চার্জশিটভুক্ত ১৪ আসামি কারাগারে
jugantor
বড়াইগ্রাম বিএনপি নেতা বাবু হত্যা
চার্জশিটভুক্ত ১৪ আসামি কারাগারে

  নাটোর ও বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি  

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ নুর বাবু হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৪ আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বড়াইগ্রাম আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসানের কাছে মঙ্গলবার দুপুরে আসামিরা জামিন আবেদন করলে তিনি তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তারা হলেন-উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার মহিষভাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল জাব্বার সোনারের ছেলে জাবের সোনার, ময়েজউদ্দিন মোল্লার ছেলে ইদ্রিস মোল্লা, শামুসল হক মোল্লার ছেলে জিন্নাহ মোল্লা ও জিল্লুর রহমান মোল্লা, মৃত গোলাম রসুলের ছেলে মো. আওয়াল, মৃত শওকত সোনারের ছেলে আজগর আলী সোনার, মৃত হোসেন মোল্লার ছেলে কোরবান মোল্লা, আজিজুল হক কবিরাজের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক কবিরাজ, ওসিম উদ্দিন সোনারের ছেলে ওয়াজেদ আলী সোনার, নজরুল ইসলামের ছেলে মাসুদ রানা, কালিকাপুর গ্রামের ভবেশচন্দ্র সাহার ছেলে প্রশান্ত কুমার, দিয়াড়পাড়া গ্রামের খোকা মোল্লার ছেলে আব্দুল আজিজ, বনপাড়ার নবীর উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মনির হোসেন এবং মাঝগাঁও ইউনিয়নের নটাবাড়িয়া গ্রামের আলাউদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মো. শাহজালাল।

২০১০ সালের ৮ অক্টোবর তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর বনপাড়া আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত মিছিলে প্রকাশ্য হামলায় সানাউল্লাহ নুর বাবু নিহত হন। পরদিন তার স্ত্রী মহুয়া নুর কচি বর্তমান বনপাড়া পৌর মেয়র কেএম জাকির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ২৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে আদালতের মাধ্যমে আরও ১৮ জনসহ মামলায় মোট ৪৫ জনকে আসামি করা হয়। বাবু বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে বনপাড়া পৌরসভার মেয়র ছিলেন।

বড়াইগ্রাম বিএনপি নেতা বাবু হত্যা

চার্জশিটভুক্ত ১৪ আসামি কারাগারে

 নাটোর ও বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি 
০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ নুর বাবু হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৪ আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বড়াইগ্রাম আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসানের কাছে মঙ্গলবার দুপুরে আসামিরা জামিন আবেদন করলে তিনি তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তারা হলেন-উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার মহিষভাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল জাব্বার সোনারের ছেলে জাবের সোনার, ময়েজউদ্দিন মোল্লার ছেলে ইদ্রিস মোল্লা, শামুসল হক মোল্লার ছেলে জিন্নাহ মোল্লা ও জিল্লুর রহমান মোল্লা, মৃত গোলাম রসুলের ছেলে মো. আওয়াল, মৃত শওকত সোনারের ছেলে আজগর আলী সোনার, মৃত হোসেন মোল্লার ছেলে কোরবান মোল্লা, আজিজুল হক কবিরাজের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক কবিরাজ, ওসিম উদ্দিন সোনারের ছেলে ওয়াজেদ আলী সোনার, নজরুল ইসলামের ছেলে মাসুদ রানা, কালিকাপুর গ্রামের ভবেশচন্দ্র সাহার ছেলে প্রশান্ত কুমার, দিয়াড়পাড়া গ্রামের খোকা মোল্লার ছেলে আব্দুল আজিজ, বনপাড়ার নবীর উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মনির হোসেন এবং মাঝগাঁও ইউনিয়নের নটাবাড়িয়া গ্রামের আলাউদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মো. শাহজালাল।

২০১০ সালের ৮ অক্টোবর তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর বনপাড়া আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত মিছিলে প্রকাশ্য হামলায় সানাউল্লাহ নুর বাবু নিহত হন। পরদিন তার স্ত্রী মহুয়া নুর কচি বর্তমান বনপাড়া পৌর মেয়র কেএম জাকির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ২৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে আদালতের মাধ্যমে আরও ১৮ জনসহ মামলায় মোট ৪৫ জনকে আসামি করা হয়। বাবু বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে বনপাড়া পৌরসভার মেয়র ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন