লক্ষ্মীপুরে যাবজ্জীবন সাজা শেষে উপহার পেলেন সেলুন
jugantor
নতুন সংসারের স্বপ্ন
লক্ষ্মীপুরে যাবজ্জীবন সাজা শেষে উপহার পেলেন সেলুন

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যাবজ্জীবন সাজা শেষে মুক্ত হয়ে লক্ষ্মীপুরের রিকশাচালক মিলন কামাল বিয়ে ও নতুন সংসারের স্বপ্ন দেখছেন। তার পুনর্বাসনে সরকারের পক্ষ থেকে একটি সেলুন দোকান উপহার দেওয়া হয়েছে। জেলার সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুরে তাহমীদ সুপার মার্কেটে মঙ্গলবার বিকালে তার দোকান উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেল সুপার রফিকুল কাদের ও জেলার সাখাওয়াত হোসেন। জেল সুপার রফিকুল উপস্থিত স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, মিলনকে কেউ অপরাধী হিসাবে নেবেন না। ভাই-বন্ধু হিসাবে পাশে রাখবেন।

জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের এক ঘটনায় আদালত মিলনকে যাবজ্জীবন (৩০ বছর ৬ মাস) সশ্রম কারাদণ্ড দেন। কারাগারে শ্রম দেওয়ায় তার ৬ বছর সাজা মওকুফ হয়। এছাড়া ৬ মাস সাজার বিপরীতে জরিমানা দিয়ে তিনি ২৫ অক্টোবর কারামুক্ত হন। তিনি ২৪ বছর কারাবন্দি ছিলেন।

মিলন বলেন, কারাগারে আমি বন্দিদের চুল কেটেছি। আমার পুনর্বাসনের জন্য জেল সুপারকে অনুরোধ করি। তিনি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছেন। দীর্ঘ কারাজীবনে স্ত্রীসহ অনেক কিছু হারিয়েছি। ঘরে মা-ভাইয়েরা আছে। এখন তাদের নিয়ে বাঁচতে চাই। নতুন সংসার করতে চাই।

নতুন সংসারের স্বপ্ন

লক্ষ্মীপুরে যাবজ্জীবন সাজা শেষে উপহার পেলেন সেলুন

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যাবজ্জীবন সাজা শেষে মুক্ত হয়ে লক্ষ্মীপুরের রিকশাচালক মিলন কামাল বিয়ে ও নতুন সংসারের স্বপ্ন দেখছেন। তার পুনর্বাসনে সরকারের পক্ষ থেকে একটি সেলুন দোকান উপহার দেওয়া হয়েছে। জেলার সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুরে তাহমীদ সুপার মার্কেটে মঙ্গলবার বিকালে তার দোকান উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেল সুপার রফিকুল কাদের ও জেলার সাখাওয়াত হোসেন। জেল সুপার রফিকুল উপস্থিত স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, মিলনকে কেউ অপরাধী হিসাবে নেবেন না। ভাই-বন্ধু হিসাবে পাশে রাখবেন।

জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের এক ঘটনায় আদালত মিলনকে যাবজ্জীবন (৩০ বছর ৬ মাস) সশ্রম কারাদণ্ড দেন। কারাগারে শ্রম দেওয়ায় তার ৬ বছর সাজা মওকুফ হয়। এছাড়া ৬ মাস সাজার বিপরীতে জরিমানা দিয়ে তিনি ২৫ অক্টোবর কারামুক্ত হন। তিনি ২৪ বছর কারাবন্দি ছিলেন।

মিলন বলেন, কারাগারে আমি বন্দিদের চুল কেটেছি। আমার পুনর্বাসনের জন্য জেল সুপারকে অনুরোধ করি। তিনি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছেন। দীর্ঘ কারাজীবনে স্ত্রীসহ অনেক কিছু হারিয়েছি। ঘরে মা-ভাইয়েরা আছে। এখন তাদের নিয়ে বাঁচতে চাই। নতুন সংসার করতে চাই।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন