দুর্নীতি মামলায় রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি
jugantor
দুদক আইনজীবীর ভাষ্য
দুর্নীতি মামলায় রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক আবু রায়হান শোয়েব আহম্মেদ সিদ্দিকী। তারপরও তাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়নি। অধ্যাপক শোয়েব রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার আটটি বাণিজ্যিক প্লট দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৩১ মার্চ তার বিরুদ্ধে রাজশাহীর বিশেষ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরই মধ্যে অধ্যাপক শোয়েব রাজশাহীর বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন গ্রহণ করেছেন। এরপরও অধ্যাপক শোয়েবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমন্বিত জেলা রাজশাহী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক শোয়েবসহ ১০ আসামি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার আটটি বাণিজ্যিক প্লট দুর্নীতির মাধ্যমে বরাদ্দ নেন, যার পরিমাণ ৫০ দশমিক ৬০ কাঠা। এই পরিমাণ জমির বর্তমান বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকার বেশি। এই জমির প্রতি কাঠার বর্তমান বাজারমূল্য ৪০ লাখ টাকা করে হলেও আসামিরা প্রতি কাঠা জমি মাত্র আড়াই লাখ টাকা করে বরাদ্দ নেন। এসব মূল্যবান প্লট বরাদ্দ নিতে আসামিরা যোগসাজশে ভুয়া বরাদ্দ নোটিশ জারি করেন।

অধ্যাপক শোয়েব সিদ্দিকীসহ অভিযুক্ত আসামিরা প্রথমে উচ্চ আদালত থেকে এবং সম্প্রতি রাজশাহী স্পেশাল জজ আদালত থেকে জামিন গ্রহণ করেন। রাজশাহী দুদকের আইনজীবী শহীদুল হক খোকন বলেন, চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কারও বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট হলেই তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের আইন রয়েছে। একইভাবে কেউ আদালতে হাজির হলেই তার বিরুদ্ধেও চাকরিবিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে অধ্যাপক শোয়েবকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে হবে। যতদিন তিনি আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণিত না হবেন, ততদিনই বরখাস্ত থাকবেন।

দুদক আইনজীবীর ভাষ্য

দুর্নীতি মামলায় রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক আবু রায়হান শোয়েব আহম্মেদ সিদ্দিকী। তারপরও তাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়নি। অধ্যাপক শোয়েব রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার আটটি বাণিজ্যিক প্লট দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৩১ মার্চ তার বিরুদ্ধে রাজশাহীর বিশেষ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরই মধ্যে অধ্যাপক শোয়েব রাজশাহীর বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন গ্রহণ করেছেন। এরপরও অধ্যাপক শোয়েবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমন্বিত জেলা রাজশাহী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক শোয়েবসহ ১০ আসামি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার আটটি বাণিজ্যিক প্লট দুর্নীতির মাধ্যমে বরাদ্দ নেন, যার পরিমাণ ৫০ দশমিক ৬০ কাঠা। এই পরিমাণ জমির বর্তমান বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকার বেশি। এই জমির প্রতি কাঠার বর্তমান বাজারমূল্য ৪০ লাখ টাকা করে হলেও আসামিরা প্রতি কাঠা জমি মাত্র আড়াই লাখ টাকা করে বরাদ্দ নেন। এসব মূল্যবান প্লট বরাদ্দ নিতে আসামিরা যোগসাজশে ভুয়া বরাদ্দ নোটিশ জারি করেন।

অধ্যাপক শোয়েব সিদ্দিকীসহ অভিযুক্ত আসামিরা প্রথমে উচ্চ আদালত থেকে এবং সম্প্রতি রাজশাহী স্পেশাল জজ আদালত থেকে জামিন গ্রহণ করেন। রাজশাহী দুদকের আইনজীবী শহীদুল হক খোকন বলেন, চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কারও বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট হলেই তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের আইন রয়েছে। একইভাবে কেউ আদালতে হাজির হলেই তার বিরুদ্ধেও চাকরিবিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে অধ্যাপক শোয়েবকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে হবে। যতদিন তিনি আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণিত না হবেন, ততদিনই বরখাস্ত থাকবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন