শারীরিক সম্পর্কে ব্যর্থ হয়ে মেলান্দহে মা-মেয়েকে হত্যা
jugantor
অভিযুক্ত গ্রেফতার
শারীরিক সম্পর্কে ব্যর্থ হয়ে মেলান্দহে মা-মেয়েকে হত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামালপুরের মেলান্দহে মা-মেয়েকে হত্যায় অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। শনিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডি জানায়, শারীরিক সম্পর্কে ব্যর্থ হয়ে তাদের হত্যা করে সে।

রাজধানীর মালিবাগে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে অবস্থানকালে পাঁচ বছর আগে আকলিমা আক্তার স্বপ্নার সঙ্গে মো. আনোয়ার হোসেনের পরিচয় হয়। এরপর থেকেই আনোয়ার স্বপ্নার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছিল। এর মধ্যে ২০-২৫ দিন ধরে আনোয়ার স্বপ্নার বড় ভাই মো. জহুরুল চৌধুরীর বাড়িতে ভবন নির্মাণের কাজ করছিল। একদিন স্বপ্না আনোয়ারকে মাথা ব্যথার ওষুধ আনতে বলে। সন্ধ্যার পর আনোয়ার তাদের বাড়ি গিয়ে স্বপ্নার সঙ্গে গল্প করতে থাকে। স্বপ্না ও তার মায়ের রাতের খাবার শেষ হলে ওষুধ চাইলে আনোয়ার মাথা ব্যথার ওষুধের পরিবর্তে প্রত্যেককে তিনটি করে ঘুমের ট্যাবলেট দেয়। স্বপ্না ও তার মা আনোয়ারের কথায় বিশ্বাস করে ঘুমের ওষুধ খেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে। আনোয়ার যৌন-কামনা চরিতার্থ করার চেষ্টা করেন। স্বপ্না একপর্যায়ে জেগে যায়। তখন আনোয়ার শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করলে স্বপ্না প্রাণপণে বাধা দেয়। ব্যর্থ হয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে তাকে ও তার মা জয়ফুল বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে।

অভিযুক্ত গ্রেফতার

শারীরিক সম্পর্কে ব্যর্থ হয়ে মেলান্দহে মা-মেয়েকে হত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামালপুরের মেলান্দহে মা-মেয়েকে হত্যায় অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। শনিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডি জানায়, শারীরিক সম্পর্কে ব্যর্থ হয়ে তাদের হত্যা করে সে।

রাজধানীর মালিবাগে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে অবস্থানকালে পাঁচ বছর আগে আকলিমা আক্তার স্বপ্নার সঙ্গে মো. আনোয়ার হোসেনের পরিচয় হয়। এরপর থেকেই আনোয়ার স্বপ্নার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছিল। এর মধ্যে ২০-২৫ দিন ধরে আনোয়ার স্বপ্নার বড় ভাই মো. জহুরুল চৌধুরীর বাড়িতে ভবন নির্মাণের কাজ করছিল। একদিন স্বপ্না আনোয়ারকে মাথা ব্যথার ওষুধ আনতে বলে। সন্ধ্যার পর আনোয়ার তাদের বাড়ি গিয়ে স্বপ্নার সঙ্গে গল্প করতে থাকে। স্বপ্না ও তার মায়ের রাতের খাবার শেষ হলে ওষুধ চাইলে আনোয়ার মাথা ব্যথার ওষুধের পরিবর্তে প্রত্যেককে তিনটি করে ঘুমের ট্যাবলেট দেয়। স্বপ্না ও তার মা আনোয়ারের কথায় বিশ্বাস করে ঘুমের ওষুধ খেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে। আনোয়ার যৌন-কামনা চরিতার্থ করার চেষ্টা করেন। স্বপ্না একপর্যায়ে জেগে যায়। তখন আনোয়ার শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করলে স্বপ্না প্রাণপণে বাধা দেয়। ব্যর্থ হয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে তাকে ও তার মা জয়ফুল বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন