৫০ বছর পর শহিদ মুক্তিযোদ্ধার কবরের সন্ধান
jugantor
৫০ বছর পর শহিদ মুক্তিযোদ্ধার কবরের সন্ধান

  মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা সিমান্তে ডুমাইন এলাকায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সেনাবাহিনীর সদস্য খলিলুর রহমান পাক বাহিনীর শেলের আঘাতে শহিদ হন। সম্মুখযুদ্ধে শহিদ হলেও সেই সময় তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ব্যাপক অনুসন্ধানের পর সম্প্রতি মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের গোরস্তানে তার কবর পাওয়া গেছে। খলিলুর রহমান মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ইয়ারউদ্দিন ফকিরের ছেলে। তার মুক্তিবার্তা নম্বর ০১০৮০৪০০৭০। সে সময় তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর পথপ্রদর্শক হিসাবে যুদ্ধযান ট্যাংকারের ওপর বসে যাচ্ছিলেন। এ সময় পাক বাহিনীর ছোড়া শেলের আঘাতে জাননগর গ্রামে তিনি শহিদ হন। মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের কবরস্থানে তাকে সমাধিত করা হয়।

৫০ বছর পর শহিদ মুক্তিযোদ্ধার কবরের সন্ধান

 মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা সিমান্তে ডুমাইন এলাকায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সেনাবাহিনীর সদস্য খলিলুর রহমান পাক বাহিনীর শেলের আঘাতে শহিদ হন। সম্মুখযুদ্ধে শহিদ হলেও সেই সময় তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ব্যাপক অনুসন্ধানের পর সম্প্রতি মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের গোরস্তানে তার কবর পাওয়া গেছে। খলিলুর রহমান মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ইয়ারউদ্দিন ফকিরের ছেলে। তার মুক্তিবার্তা নম্বর ০১০৮০৪০০৭০। সে সময় তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর পথপ্রদর্শক হিসাবে যুদ্ধযান ট্যাংকারের ওপর বসে যাচ্ছিলেন। এ সময় পাক বাহিনীর ছোড়া শেলের আঘাতে জাননগর গ্রামে তিনি শহিদ হন। মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের কবরস্থানে তাকে সমাধিত করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন