সংকট পিছু ছাড়ছে না ঝিকরগাছার ফুল চাষিদের
jugantor
করোনার প্রভাব
সংকট পিছু ছাড়ছে না ঝিকরগাছার ফুল চাষিদের

  যশোর ব্যুরো  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার সংক্রমণ আর ঘূর্ণিঝড় আম্পানে লন্ডভন্ড হওয়া ফুল ক্ষেত ব্যাংক ও এনজিও থেকে ৮ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে পরিচর্যা শুরু করেছিলাম। গেল নভেম্বর থেকে ফুল বিক্রি শুরু করেছি। ডিসেম্বর মাসে দুটি দিবসে ২ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করেছি। আশা করেছিলাম, ফেব্রুয়ারির বিশেষ দিবসে ন্যায্য দামে ফুলগুলো বিক্রি করতে পারলে ৮ লাখ টাকা ঋণ শোধ করতে পারব। কিন্তু জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে এসেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ফুলের ভরা মৌসুমে সরকার সব অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ায় ফুলের দাম কমে গেছে। এবার ফুল বেচাকেনায় ধসের শঙ্কায় আছি। ফলে পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। কথাগুলো বলছিলেন দেশের ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালির ফুলচাষি শরিফুল ইসলাম।

শুধু শরিফুলই নন, তারমতো গদখালির অসংখ্য চাষির কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ওমিক্রন। বিধিনিষেধের ঘেরাটোপে আবারও ফুলের বাজারে ধস নামার শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

চাষিরা বলছেন, করোনার কারণে টানা দুই বছরের মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে কয়েক মাস ধরে পরিশ্রম করছেন। মাঠজুড়ে নানা রঙের ফুলের সমারোহ। ওমিক্রন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও লাগাম টানা হয়েছে। যার প্রভাব পড়তে পারে পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে। এতে ন্যায্য দামে ফুল বিক্রি নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তারা। দেশের চাহিদার ৭০ শতাংশ ফুল সরবরাহ করে থাকেন গদখালির চাষিরা।

করোনার প্রভাব

সংকট পিছু ছাড়ছে না ঝিকরগাছার ফুল চাষিদের

 যশোর ব্যুরো 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার সংক্রমণ আর ঘূর্ণিঝড় আম্পানে লন্ডভন্ড হওয়া ফুল ক্ষেত ব্যাংক ও এনজিও থেকে ৮ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে পরিচর্যা শুরু করেছিলাম। গেল নভেম্বর থেকে ফুল বিক্রি শুরু করেছি। ডিসেম্বর মাসে দুটি দিবসে ২ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করেছি। আশা করেছিলাম, ফেব্রুয়ারির বিশেষ দিবসে ন্যায্য দামে ফুলগুলো বিক্রি করতে পারলে ৮ লাখ টাকা ঋণ শোধ করতে পারব। কিন্তু জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে এসেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ফুলের ভরা মৌসুমে সরকার সব অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ায় ফুলের দাম কমে গেছে। এবার ফুল বেচাকেনায় ধসের শঙ্কায় আছি। ফলে পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। কথাগুলো বলছিলেন দেশের ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালির ফুলচাষি শরিফুল ইসলাম।

শুধু শরিফুলই নন, তারমতো গদখালির অসংখ্য চাষির কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ওমিক্রন। বিধিনিষেধের ঘেরাটোপে আবারও ফুলের বাজারে ধস নামার শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

চাষিরা বলছেন, করোনার কারণে টানা দুই বছরের মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে কয়েক মাস ধরে পরিশ্রম করছেন। মাঠজুড়ে নানা রঙের ফুলের সমারোহ। ওমিক্রন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও লাগাম টানা হয়েছে। যার প্রভাব পড়তে পারে পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে। এতে ন্যায্য দামে ফুল বিক্রি নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তারা। দেশের চাহিদার ৭০ শতাংশ ফুল সরবরাহ করে থাকেন গদখালির চাষিরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন