মুরাদনগরে উদ্বিগ্ন ভোটার ও প্রার্থীরা
jugantor
২১ ইউপিতে এই প্রথম ইভিএমে ভোট
মুরাদনগরে উদ্বিগ্ন ভোটার ও প্রার্থীরা

  কুমিল্লা ব্যুরো  

২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে এবারই প্রথম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হবে। ৩১ জানুয়ারি ৬ষ্ঠ ধাপে উপজেলার ২১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে নির্বাচন কমিশন। এরই মাঝে কমিশনের উদ্যোগে প্রিসাইডিং অফিসারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। কিন্তু প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এই পদ্ধতিতে ভোট স্বচ্ছ হবে কি না, এমন নানা প্রশ্ন ভোটার এবং প্রার্থীদের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। এদিকে নির্বাচন অবাধ, সহিংসতামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ করতে জেলা প্রশাসন এবং জেলা পুলিশসহ জেলা নির্বাচন অফিস নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। অপরদিকে নির্বাচনের দুদিন আগে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রদান (মকভোটিং) প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে সর্বস্তরের জনসাধারণ ভোট প্রদান প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে।

একটি চক্র ইভিএম পদ্ধতির স্বচ্ছতা নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে। এ পদ্ধতিতে ব্যাপক কারচুপির সুযোগ রয়েছে বলেও গোপন প্রচারণা চলছে। এ নিয়ে সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের মাঝে রয়েছে সন্দেহ, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

অপরদিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম বলেন, ইভিএম একটি স্বচ্ছ এবং আধুনিক ভোটাধিকার প্রয়োগ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনো অনিয়ম বা কারচুপির সুযোগ নেই, একটি অসাধু চক্র ভোটারদের মাঝে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কোনো দ্বিধা না রেখে ভোটারদেরকে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

২১ ইউপিতে এই প্রথম ইভিএমে ভোট

মুরাদনগরে উদ্বিগ্ন ভোটার ও প্রার্থীরা

 কুমিল্লা ব্যুরো 
২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে এবারই প্রথম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হবে। ৩১ জানুয়ারি ৬ষ্ঠ ধাপে উপজেলার ২১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে নির্বাচন কমিশন। এরই মাঝে কমিশনের উদ্যোগে প্রিসাইডিং অফিসারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। কিন্তু প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এই পদ্ধতিতে ভোট স্বচ্ছ হবে কি না, এমন নানা প্রশ্ন ভোটার এবং প্রার্থীদের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। এদিকে নির্বাচন অবাধ, সহিংসতামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ করতে জেলা প্রশাসন এবং জেলা পুলিশসহ জেলা নির্বাচন অফিস নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। অপরদিকে নির্বাচনের দুদিন আগে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রদান (মকভোটিং) প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে সর্বস্তরের জনসাধারণ ভোট প্রদান প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে।

একটি চক্র ইভিএম পদ্ধতির স্বচ্ছতা নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে। এ পদ্ধতিতে ব্যাপক কারচুপির সুযোগ রয়েছে বলেও গোপন প্রচারণা চলছে। এ নিয়ে সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের মাঝে রয়েছে সন্দেহ, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

অপরদিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম বলেন, ইভিএম একটি স্বচ্ছ এবং আধুনিক ভোটাধিকার প্রয়োগ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনো অনিয়ম বা কারচুপির সুযোগ নেই, একটি অসাধু চক্র ভোটারদের মাঝে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কোনো দ্বিধা না রেখে ভোটারদেরকে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন