প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

প্রকাশ : ২২ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

১৭ মে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘গাইবান্ধায় ৬৫ মাদক স্পট ১২১ জনের নিয়ন্ত্রণে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ। এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মাদকের বিরুদ্ধে সবসময় আমি সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছি। এলাকার ২০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে মাদকবিরোধী শপথ পড়িয়েছি, তারা যেন ভবিষ্যতে আর মাদক ব্যবসা না করেন। সেই সাথে তাদের পুনর্বাসনের জন্য পাঁচ হাজার করে টাকা অনুদান দিয়েছি। মূলত আমি রাজনীতিবিদ। স্বচ্ছ রাজনীতি করে সবসময় সবার মন রক্ষা করা যায় না। যাদের মন রক্ষা করতে পারিনি, তারা হয়তো আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। কেউ ষড়যন্ত্র করে ওই তালিকায় আমার নাম যুক্ত করেছে।’

১৬ মে ‘কুড়িগ্রামে মাদকের পৃষ্ঠপোষকতায় আ’লীগ নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন রৌমারী উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মো. হারুনর রশিদ। তিনি বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীতে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের তালিকায় আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি চক্র ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং আমার জনপ্রিয়তা নষ্ট করার অসৎ উদ্দেশে উক্ত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : দুটি সংবাদই সরকারের একটি বিশেষ সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের ওই প্রতিবেদনে তাদের নাম আছে। এর একটি কপি যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত আছে।