নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চান ব্যাংকাররা
jugantor
গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চান ব্যাংকাররা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নতুন কর্মীদের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আরও সময় চান ব্যাংকের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীরা। তারা বলেছেন, মার্চ থেকেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা সম্ভব হবে না। এছাড়া পদোন্নতি দেওয়ার ব্যাপারে নীতিমালাটি পুনর্বিবেচনার দাবি করেছেন তারা।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর উদ্যোক্তা পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স (বিএবি) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) প্রতিনিধিরা বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক এবং বিএবি ও এবিবির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে পরিচালক ও এমডিরা যেসব বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন সেগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সময় চাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

বিএবি ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ১ মার্চ থেকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। এ বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানিয়েছে। এটি বাস্তবায়নে আরও সময় চাওয়া হয়েছে।

২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এতে কর্মকর্তাদের শিক্ষানবিশ কালে সর্বনি্নু বেতন-ভাতা ২৮ হাজার টাকা এবং শিক্ষানবিশ কাল শেষ হলে মোট বেতন হবে ৩৯ হাজার টাকা। ব্যাংকের অফিস সহায়কদের সর্বনিম্ন বেতন হবে ২৪ হাজার টাকা। এ নির্দেশনা ১ মার্চ থেকে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে ব্যাংকারদের পক্ষে থেকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আপত্তি করা হয়। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভালো বেতন কাঠামো না হলে মেধাবী কর্মীরা ব্যাংকিং পেশায় আসবেন না। তখন ব্যাংক মেধাশূন্যতায় ভুগবে।

গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চান ব্যাংকাররা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নতুন কর্মীদের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আরও সময় চান ব্যাংকের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীরা। তারা বলেছেন, মার্চ থেকেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা সম্ভব হবে না। এছাড়া পদোন্নতি দেওয়ার ব্যাপারে নীতিমালাটি পুনর্বিবেচনার দাবি করেছেন তারা।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর উদ্যোক্তা পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স (বিএবি) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) প্রতিনিধিরা বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক এবং বিএবি ও এবিবির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে পরিচালক ও এমডিরা যেসব বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন সেগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সময় চাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

বিএবি ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ১ মার্চ থেকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। এ বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানিয়েছে। এটি বাস্তবায়নে আরও সময় চাওয়া হয়েছে।

২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এতে কর্মকর্তাদের শিক্ষানবিশ কালে সর্বনি্নু বেতন-ভাতা ২৮ হাজার টাকা এবং শিক্ষানবিশ কাল শেষ হলে মোট বেতন হবে ৩৯ হাজার টাকা। ব্যাংকের অফিস সহায়কদের সর্বনিম্ন বেতন হবে ২৪ হাজার টাকা। এ নির্দেশনা ১ মার্চ থেকে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে ব্যাংকারদের পক্ষে থেকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আপত্তি করা হয়। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভালো বেতন কাঠামো না হলে মেধাবী কর্মীরা ব্যাংকিং পেশায় আসবেন না। তখন ব্যাংক মেধাশূন্যতায় ভুগবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন