ভালুকায় বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কেনার অভিযোগ
jugantor
ইউপি নির্বাচন
ভালুকায় বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কেনার অভিযোগ

  ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ৬ নম্বর ইউনিয়নের বাশিল এলাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমান উল্লাহ খান মাখনের (আনারস) পক্ষে ভোট কেনার অভিযোগ উঠেছে। ভোট কেনার সময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রাকিবসহ ৩ জনকে মঙ্গলবার গভীর রাতে স্থানীয় জনতা আটক করে। তার সহযোগীরা হলেন এনামুল হক ও জহিরুল ইসলাম। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা, দুটি মোবাইল সেট ও টাকা বিতরণের তালিকা জব্দ করা হয়। খবর দিলে আটকদের নিয়ে পুলিশ ওই এলাকার দয়াল মার্কেটে বসে জব্দ তালিকা করার সময় তারা দৌড়ে মাখনের নির্বাচনি ক্যাম্পে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের না ধরে নগদ ২০ হাজার টাকাসহ, মোবাইল সেট ও টাকা বিতরণের তালিকাটি থানায় নিয়ে যায়।

মাজহারুল ইসলাম রাকিব বলেন, বাড়ি ফেরার পথে নৌকার লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে আটকে রাখে। আমি কোনো ভোট কিনিনি।

আমান উল্লাহ খান মাখন জানান, আমি ও আমার লোকজন ভোট কেনেনি। নৌকার প্রার্থী শিহাব আমিনের লোকজন মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে।

বর্তমান চেয়ারম্যান শিহাব আমিন জানান, মাখন সারা ইউনিয়নেই টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন। আমি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, তাদের কাছে পাওয়া টাকা ব্যবসার বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। তবে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেননি।

উল্লেখ্য, এ উপজেলার ১১ নম্বর ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩১ জানুয়ারি।

ইউপি নির্বাচন

ভালুকায় বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কেনার অভিযোগ

 ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ৬ নম্বর ইউনিয়নের বাশিল এলাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমান উল্লাহ খান মাখনের (আনারস) পক্ষে ভোট কেনার অভিযোগ উঠেছে। ভোট কেনার সময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রাকিবসহ ৩ জনকে মঙ্গলবার গভীর রাতে স্থানীয় জনতা আটক করে। তার সহযোগীরা হলেন এনামুল হক ও জহিরুল ইসলাম। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা, দুটি মোবাইল সেট ও টাকা বিতরণের তালিকা জব্দ করা হয়। খবর দিলে আটকদের নিয়ে পুলিশ ওই এলাকার দয়াল মার্কেটে বসে জব্দ তালিকা করার সময় তারা দৌড়ে মাখনের নির্বাচনি ক্যাম্পে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের না ধরে নগদ ২০ হাজার টাকাসহ, মোবাইল সেট ও টাকা বিতরণের তালিকাটি থানায় নিয়ে যায়।

মাজহারুল ইসলাম রাকিব বলেন, বাড়ি ফেরার পথে নৌকার লোকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে আটকে রাখে। আমি কোনো ভোট কিনিনি।

আমান উল্লাহ খান মাখন জানান, আমি ও আমার লোকজন ভোট কেনেনি। নৌকার প্রার্থী শিহাব আমিনের লোকজন মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে।

বর্তমান চেয়ারম্যান শিহাব আমিন জানান, মাখন সারা ইউনিয়নেই টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন। আমি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, তাদের কাছে পাওয়া টাকা ব্যবসার বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। তবে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেননি।

উল্লেখ্য, এ উপজেলার ১১ নম্বর ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩১ জানুয়ারি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন