সুস্থ থাকুন

রোজা ও পানিস্বল্পতা

  আখতারুন নাহার আলো ২৯ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রমজানে পানি

রোজায় একটি সমস্যা আমরা সবাই দেখতে পাই। সেটি হল পানিস্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশন। এ কারণে অনেকে ভয় পান। এছাড়া ইউটিআই বা প্রস্রাবে সংক্রমণে পানি খাওয়া কম হলে আরও সমস্যা হতে পারে। আমাদের দেহে ৫০-৭০ ভাগ পানি থাকে। পানি দেহের স্থিতিস্থাপকতার জন্য প্রয়োজন হয়।

দেহে পানি আছে বলেই লালাগ্রন্থির জন্য আমরা খাবার গিলে ফেলতে পারি। এছাড়া শ্লেফ ক্ষরণের জন্য অন্ত্রনালি, শ্বাসপ্রশ্বাস, বিপাক ক্রিয়া প্রসবের জন্যও পানি প্রয়োজন।

পানি গ্রহণ ও বর্জন- এ দুই পক্রিয়ার ওপর পানির সমতা নির্ভর করে। একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের দুই থেকে তিন লিটার পানি প্রয়োজন হয়। ঘাম, মূত্র ও মলের মাধ্যমে কিছু পানি বের হয়ে যায়। বাকিটা বের হয় শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে। পানীয় জল গ্রহণের ফলে এটার ভারসাম্য ঠিক থাকে। একে দেহের জলীয় সাম্য বলে।

রোজা রাখলে এ সাম্য নষ্ট হয়, অনেকে মনে করেন। কিন্তু যদি ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত দেহের পুরো পানির চাহিদা মেটানো যায়, তাহলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। পানিস্বল্পতার জন্যই বোধ করি ইফতারের প্রথম উপাদান হিসেবে শরবতের প্রচলন হয়েছে।

বিভিন্নভাবে আমরা শরবত করে খেতে পারি। যেমন- স্কোয়াশ, ইসপগুলের ভুসি, তোকমা, লেবু, তেঁতুল, বেল, বিভিন্ন ফলের রস, দুধ, দই, চিঁড়া ইত্যাদি দিয়ে। শরবত ছাড়াও ইফতারে থাকতে পারে ভেজানো চিঁড়া, দইবড়া, হালিম ইত্যাদি।

এছাড়া সন্ধ্যায় ও সেহরিতে পাতলা ডাল, পাতলা ঝোলের তরকারি ও দুধ রাখা যেতে পারে। এভাবে যদি রমজানের সব দিনে খাবারের সঙ্গে পানি সংযুক্ত করা যায়, তাহলে পানিস্বল্পতার ভয় থাকে না।

আখতারুন নাহার আলো

চিফ নিউট্রিশন অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান

বারডেম, ঢাকা।

মোবাইল ফোন : ০১৯১১০১৯৬৭৯

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter