লোহাগড়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৭
jugantor
লোহাগড়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৭

  লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি  

১৮ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নড়াইলের লোহাগড়ায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় উভয় পক্ষের সাতজন আহত হয়। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শামুকখোলা গ্রামে মঙ্গলবার এই ঘটনা হয়। নিহত কৃষক মিজানুর শরীফ (৫০) ওই গ্রামের মৃত ওয়াদুদ শরীফের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শামুকখোলা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলিম কাজী সমর্থিত লোকজনের সঙ্গে আসকার খন্দকার সমর্থিত লোকজনের দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল। মঙ্গলবার দুপুরে আসকার খন্দকারের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক লোক প্রতিপক্ষ ওবায়দুর কাজীর বাড়িতে হামলা চালায়। পরে ওই লোকজনই কালাম কাজীর বাড়ি থেকে জোর করে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষ বাধা দেয়। তখন উভয় পক্ষের লোকজন ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা, রামদা, ঢাল-সুড়কি নিয়ে মাদ্রাসা এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে আসকার খন্দকারের লোকজন কৃষক মিজানুর শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় ইমদাদুল কাজী, মফিজুল কাজী, সৈয়দ আশরাফ আলী ও সোহাগ কাজীসহ উভয় পক্ষের সাতজন আহত হয়। তাদের লোহাগড়া ও নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। চারজনকে আটক করা হয়েছে।

লোহাগড়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৭

 লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি 
১৮ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নড়াইলের লোহাগড়ায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় উভয় পক্ষের সাতজন আহত হয়। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শামুকখোলা গ্রামে মঙ্গলবার এই ঘটনা হয়। নিহত কৃষক মিজানুর শরীফ (৫০) ওই গ্রামের মৃত ওয়াদুদ শরীফের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শামুকখোলা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলিম কাজী সমর্থিত লোকজনের সঙ্গে আসকার খন্দকার সমর্থিত লোকজনের দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল। মঙ্গলবার দুপুরে আসকার খন্দকারের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক লোক প্রতিপক্ষ ওবায়দুর কাজীর বাড়িতে হামলা চালায়। পরে ওই লোকজনই কালাম কাজীর বাড়ি থেকে জোর করে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষ বাধা দেয়। তখন উভয় পক্ষের লোকজন ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা, রামদা, ঢাল-সুড়কি নিয়ে মাদ্রাসা এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে আসকার খন্দকারের লোকজন কৃষক মিজানুর শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় ইমদাদুল কাজী, মফিজুল কাজী, সৈয়দ আশরাফ আলী ও সোহাগ কাজীসহ উভয় পক্ষের সাতজন আহত হয়। তাদের লোহাগড়া ও নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। চারজনকে আটক করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন