চট্টগ্রামে জামায়াত শিবিরের ৪৯ নেতা কর্মী গ্রেফতার
jugantor
নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ
চট্টগ্রামে জামায়াত শিবিরের ৪৯ নেতা কর্মী গ্রেফতার

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৮ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের টেরিবাজারে একটি রেস্তোরাঁ থেকে জামায়াত-শিবিরের ৪৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার রাতে নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন টেরিবাজার এলাকার ‘আল বয়ান’ নামে রেস্তোরাঁ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেফতার ৪৯ জনসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত পাঁচজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

সিএমপির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) জসিম উদ্দিন বলেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা টেরিবাজার এলাকার ‘আল বয়ান’ নামে রেস্তোরাঁয় বসে গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে সোমবার রাত ১০টায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন কোতোয়ালি থানা জামায়াত আমির মো. ফরিদুল আলম, কোতোয়ালি থানা দক্ষিণ শাখার সমন্বয়ক মো. ফরিদ উদ্দিন, কোতোয়ালি থানা দক্ষিণ শাখার বায়তুল মাল সম্পাদক মো. নুরুল কবির, কোতোয়ালি থানা দক্ষিণ শাখার দপ্তর সম্পাদক এমদাদ উল্যাহ, বক্সিরহাট শাখা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন খালেদ, অর্থ জোগানদাতা আবুল মনছুর, টেরিবাজার শাখা জামায়াতের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, টেরিবাজার কাটাপাহাড় লেন শাখার সভাপতি রাশেদুল করিম ওরফে রাশেদ, টেরিবাজার কাটা পাহাড় শাখার জামায়াত সহসভাপতি হাফেজ মো. তাজুল ইসলাম, টেরিবাজার ইমাম ম্যানশন শাখার সভাপতি মোহাম্মদ ইসরাফিল প্রমুখ। বাকিরা জামায়াত ও শিবিরের কর্মী বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ

চট্টগ্রামে জামায়াত শিবিরের ৪৯ নেতা কর্মী গ্রেফতার

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৮ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের টেরিবাজারে একটি রেস্তোরাঁ থেকে জামায়াত-শিবিরের ৪৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার রাতে নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন টেরিবাজার এলাকার ‘আল বয়ান’ নামে রেস্তোরাঁ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেফতার ৪৯ জনসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত পাঁচজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

সিএমপির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) জসিম উদ্দিন বলেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা টেরিবাজার এলাকার ‘আল বয়ান’ নামে রেস্তোরাঁয় বসে গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে সোমবার রাত ১০টায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন কোতোয়ালি থানা জামায়াত আমির মো. ফরিদুল আলম, কোতোয়ালি থানা দক্ষিণ শাখার সমন্বয়ক মো. ফরিদ উদ্দিন, কোতোয়ালি থানা দক্ষিণ শাখার বায়তুল মাল সম্পাদক মো. নুরুল কবির, কোতোয়ালি থানা দক্ষিণ শাখার দপ্তর সম্পাদক এমদাদ উল্যাহ, বক্সিরহাট শাখা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন খালেদ, অর্থ জোগানদাতা আবুল মনছুর, টেরিবাজার শাখা জামায়াতের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, টেরিবাজার কাটাপাহাড় লেন শাখার সভাপতি রাশেদুল করিম ওরফে রাশেদ, টেরিবাজার কাটা পাহাড় শাখার জামায়াত সহসভাপতি হাফেজ মো. তাজুল ইসলাম, টেরিবাজার ইমাম ম্যানশন শাখার সভাপতি মোহাম্মদ ইসরাফিল প্রমুখ। বাকিরা জামায়াত ও শিবিরের কর্মী বলে পুলিশ জানিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন