মেহেরপুরে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দিতে জালিয়াতি
jugantor
মেহেরপুরে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দিতে জালিয়াতি

  তোজাম্মেল আযম, মেহেরপুর  

২২ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি খাতে এক কোটি ২১ লাখ টাকার টেন্ডারে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে।

জানা গেছে, টেন্ডার কমিটির ৬ সদস্যের মধ্যে দুজনের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এরা হলেন- গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ফয়সাল হোসেন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহা. আলাউদ্দীন। ৬ সদস্যের টেন্ডার কমিটির অন্যরা হলেন- গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন, মেডিকেল অফিসার মারুফ হাসান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল হারুন, গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফেরদৌস পারভেজ। টেন্ডার প্রক্রিয়ার শুরুতেই হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ খোকন রেজার নাম থাকলেও তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের ২৩ আগস্ট গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি (এমএসআর) খাতে পত্রিকায় দরপত্র প্রকাশ করা হয়। ৯ জন ঠিকাদার দরপত্রে অংশ নেন। সর্বনিু দরদাতা হিসাবে ঢাকার মেসার্স আইয়ান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এবং মেহেরপুরের জোহা এন্টারপ্রাইজ, ঢাকার সাহিদা ট্রেডার্স ও মেসার্স আরিয়া ট্রেডার্সের নামে সমদরের তালিকা তৈরি করে টেন্ডার কমিটির দুই সদস্যের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। জানতে চাইলে টেন্ডার কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ফয়সাল হোসেন বলেন, এ স্বাক্ষর আমার হতে পারে না। কারণ আমি স্বাক্ষর করার পর তারিখের জায়গায় কখনই ডট ব্যবহার করি না। কমিটির অপর সদস্য মোহা. আলাউদ্দীন বলেন, এপ্রিলের আগেই আমি মুজিবনগর উপজেলায় বদলি হয়ে এসেছি। আর স্বাক্ষরটিও আমার নয়। আমার স্বাক্ষরের সঙ্গে বেশ কয়েক জায়গায় অমিল রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন বলেন, আমার কাছ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দ্রুত দরদাতাদের তালিকা চায়। আমি উপস্থিত দুইজনের স্বাক্ষর নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠিয়েছি। তারপর কি হয়েছে আমার কিছুই জানা নেই।

ডা. খোকন রেজাকে কেন কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই চিকিৎসক বিনা ছুটিতে এক মাস অনুপস্থিত ছিলেন। সিভিল সার্জন ডা. জাওয়াহেরুল আনাম সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। টেন্ডার প্রক্রিয়াটির বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যাপার। আমার কাছে লিখিত অভিযোগ এলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থ্য নেয়া হবে।

মেহেরপুরে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দিতে জালিয়াতি

 তোজাম্মেল আযম, মেহেরপুর 
২২ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি খাতে এক কোটি ২১ লাখ টাকার টেন্ডারে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে।

জানা গেছে, টেন্ডার কমিটির ৬ সদস্যের মধ্যে দুজনের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এরা হলেন- গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ফয়সাল হোসেন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহা. আলাউদ্দীন। ৬ সদস্যের টেন্ডার কমিটির অন্যরা হলেন- গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন, মেডিকেল অফিসার মারুফ হাসান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল হারুন, গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফেরদৌস পারভেজ। টেন্ডার প্রক্রিয়ার শুরুতেই হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ খোকন রেজার নাম থাকলেও তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের ২৩ আগস্ট গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি (এমএসআর) খাতে পত্রিকায় দরপত্র প্রকাশ করা হয়। ৯ জন ঠিকাদার দরপত্রে অংশ নেন। সর্বনিু দরদাতা হিসাবে ঢাকার মেসার্স আইয়ান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এবং মেহেরপুরের জোহা এন্টারপ্রাইজ, ঢাকার সাহিদা ট্রেডার্স ও মেসার্স আরিয়া ট্রেডার্সের নামে সমদরের তালিকা তৈরি করে টেন্ডার কমিটির দুই সদস্যের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। জানতে চাইলে টেন্ডার কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ফয়সাল হোসেন বলেন, এ স্বাক্ষর আমার হতে পারে না। কারণ আমি স্বাক্ষর করার পর তারিখের জায়গায় কখনই ডট ব্যবহার করি না। কমিটির অপর সদস্য মোহা. আলাউদ্দীন বলেন, এপ্রিলের আগেই আমি মুজিবনগর উপজেলায় বদলি হয়ে এসেছি। আর স্বাক্ষরটিও আমার নয়। আমার স্বাক্ষরের সঙ্গে বেশ কয়েক জায়গায় অমিল রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন বলেন, আমার কাছ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দ্রুত দরদাতাদের তালিকা চায়। আমি উপস্থিত দুইজনের স্বাক্ষর নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠিয়েছি। তারপর কি হয়েছে আমার কিছুই জানা নেই।

ডা. খোকন রেজাকে কেন কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই চিকিৎসক বিনা ছুটিতে এক মাস অনুপস্থিত ছিলেন। সিভিল সার্জন ডা. জাওয়াহেরুল আনাম সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। টেন্ডার প্রক্রিয়াটির বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যাপার। আমার কাছে লিখিত অভিযোগ এলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থ্য নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন