ফুলছড়িতে মামলা তদন্ত করতে এসে ধর্ষণ
jugantor
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ
ফুলছড়িতে মামলা তদন্ত করতে এসে ধর্ষণ

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

২২ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জমিসংক্রান্ত মামলা তদন্ত করতে এসে বাদীর মেয়েকে ধর্ষণ করেছে গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার এসআই শামসুল হক। ওই পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় কর্মরত। এ ঘটনায় আদালতে মামলাও হয়েছে। পুলিশের হুমকিতে ভুক্তভোগী ওই নারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি শনিবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে ধর্ষক এসআইয়ের শাস্তি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেন, তার মা ২০২১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জমি নিয়ে ফুলছড়ি থানায় আটজনকে আসামি করে মামলা করেন। ২৪ অক্টোবর রাতে মামলার তদন্ত করতে আসেন ফুলছড়ি থানার এসআই শামসুল হক। চরাঞ্চলে বাদীর ওই বাড়িতে ঢুকে ঘর থেকে তার মা ও ছোট ভাইকে বের করে দিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরদিন ভুক্তভোগী নারী থানায় গিয়ে ওসিকে ঘটনাটি জানান। এ ঘটনার পর ১১ ডিসেম্বর এসআই শামসুল হক ভুক্তভোগী নারীকে বালাসীঘাট ডাকেন। সেখানে তার খালার বাড়িতে আবারও ধর্ষণ করেন। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে এ বছরের ২৫ জানুয়ারি ওষুধ প্রয়োগে তার আড়াই মাসের বাচ্চা নষ্ট করেন এসআই শামসুল। এতে ওই নারী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে অভিযুক্ত ধর্ষক এসআই শামসুল হক ফুলছড়ি থানা থেকে বদলি নিয়ে রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় যোগ দেয়। থানায় কোনো প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী নারী ১৬ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন। এসআই শামসুল হকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

ফুলছড়িতে মামলা তদন্ত করতে এসে ধর্ষণ

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
২২ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জমিসংক্রান্ত মামলা তদন্ত করতে এসে বাদীর মেয়েকে ধর্ষণ করেছে গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার এসআই শামসুল হক। ওই পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় কর্মরত। এ ঘটনায় আদালতে মামলাও হয়েছে। পুলিশের হুমকিতে ভুক্তভোগী ওই নারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি শনিবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে ধর্ষক এসআইয়ের শাস্তি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেন, তার মা ২০২১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জমি নিয়ে ফুলছড়ি থানায় আটজনকে আসামি করে মামলা করেন। ২৪ অক্টোবর রাতে মামলার তদন্ত করতে আসেন ফুলছড়ি থানার এসআই শামসুল হক। চরাঞ্চলে বাদীর ওই বাড়িতে ঢুকে ঘর থেকে তার মা ও ছোট ভাইকে বের করে দিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরদিন ভুক্তভোগী নারী থানায় গিয়ে ওসিকে ঘটনাটি জানান। এ ঘটনার পর ১১ ডিসেম্বর এসআই শামসুল হক ভুক্তভোগী নারীকে বালাসীঘাট ডাকেন। সেখানে তার খালার বাড়িতে আবারও ধর্ষণ করেন। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে এ বছরের ২৫ জানুয়ারি ওষুধ প্রয়োগে তার আড়াই মাসের বাচ্চা নষ্ট করেন এসআই শামসুল। এতে ওই নারী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে অভিযুক্ত ধর্ষক এসআই শামসুল হক ফুলছড়ি থানা থেকে বদলি নিয়ে রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় যোগ দেয়। থানায় কোনো প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী নারী ১৬ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন। এসআই শামসুল হকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন