প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে ক্লাস বর্জন
jugantor
রংপুরের মিঠাপুকুর
প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে ক্লাস বর্জন

  রংপুর ব্যুরো  

১২ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের মিঠাপুকুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে ক্লাস বর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা প্রতিবাদ সমাবেশ করে বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। সকালে বিদ্যালয় মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অভিভাবক আবদুল মজিদ মিয়া। এ সময় বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাবর আলী, দাতা সদস্য মোজাফফর হোসেন, মোকছেদুল হক, মিজানুর রহমান, ফিরোজ মন্ডল, কদম আলী, রফিকুল ইসলাম, শিক্ষক সাজেদুর রহমান প্রমুখ।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমান গত ১৪ জুন অবসরে যান। তারপরও তিনি জোর করে দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়ম অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন না। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, দিনাজপুরের বিদ্যালয় পরিদর্শক আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত চিঠিতে সহকারী প্রধানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপরও অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক পদ আকড়ে ধরে আছেন। রহস্যজনক কারণে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইয়াছিন আলীও এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধান শিক্ষক অবসরে গিয়েও সহকারী প্রধান শিক্ষককে দায়িত্বও বুঝিয়ে না দেওয়ায় বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। ঠিকমতো লেখাপড়া হচ্ছে না।

রংপুরের মিঠাপুকুর

প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে ক্লাস বর্জন

 রংপুর ব্যুরো 
১২ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের মিঠাপুকুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে ক্লাস বর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা প্রতিবাদ সমাবেশ করে বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। সকালে বিদ্যালয় মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অভিভাবক আবদুল মজিদ মিয়া। এ সময় বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাবর আলী, দাতা সদস্য মোজাফফর হোসেন, মোকছেদুল হক, মিজানুর রহমান, ফিরোজ মন্ডল, কদম আলী, রফিকুল ইসলাম, শিক্ষক সাজেদুর রহমান প্রমুখ।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমান গত ১৪ জুন অবসরে যান। তারপরও তিনি জোর করে দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়ম অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন না। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, দিনাজপুরের বিদ্যালয় পরিদর্শক আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত চিঠিতে সহকারী প্রধানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপরও অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক পদ আকড়ে ধরে আছেন। রহস্যজনক কারণে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইয়াছিন আলীও এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধান শিক্ষক অবসরে গিয়েও সহকারী প্রধান শিক্ষককে দায়িত্বও বুঝিয়ে না দেওয়ায় বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। ঠিকমতো লেখাপড়া হচ্ছে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন