সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস পুনর্বিন্যাস করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
jugantor
সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস পুনর্বিন্যাস করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  চাঁদপুর প্রতিনিধি  

১৬ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সপ্তাহে পাঁচদিন ক্লাস এমনভাবে পুনর্বিন্যাস করতে চাই, যেন শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি না হয়। যে শিখন ঘাটতি নিরুপণ করা হয়েছে তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ব্যাপারী প্রমুখ। পরে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে চাঁদপুর শিল্পকলা, প্রেস ক্লাবসহ জাতীয় শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহ হবে পাঁচ দিনে। বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট সারা বিশ্বে চলছে সেজন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস নেওয়া হলে শহরে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে যে পরিমাণ যানবাহন চলে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় তা সাশ্রয় হবে।

সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস পুনর্বিন্যাস করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

 চাঁদপুর প্রতিনিধি 
১৬ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সপ্তাহে পাঁচদিন ক্লাস এমনভাবে পুনর্বিন্যাস করতে চাই, যেন শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি না হয়। যে শিখন ঘাটতি নিরুপণ করা হয়েছে তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ব্যাপারী প্রমুখ। পরে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে চাঁদপুর শিল্পকলা, প্রেস ক্লাবসহ জাতীয় শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহ হবে পাঁচ দিনে। বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট সারা বিশ্বে চলছে সেজন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস নেওয়া হলে শহরে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে যে পরিমাণ যানবাহন চলে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় তা সাশ্রয় হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন