জোয়ারে ভাঙছে সেন্টমার্টিন, ঝুঁকিতে হোটেল বসতবাড়ি
jugantor
সাগরে নিম্নচাপের প্রভাব
জোয়ারে ভাঙছে সেন্টমার্টিন, ঝুঁকিতে হোটেল বসতবাড়ি

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৮ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিম্নচাপের প্রভাবে কয়েক দিন ধরে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। জোয়ারের ধাক্কায় কক্সবাজার সৈকতের হাল হচ্ছে সেন্টমার্টিনেও। চার দিনের তাণ্ডবে দ্বীপের পূর্ব-উত্তর ও পশ্চিম পাশের প্রায় দুই কিলোমিটার সৈকত ভেঙে গেছে। ঝুঁকিতে পড়েছে পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও ঘরবাড়ি।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ৯ দিনে বঙ্গোপসাগরে দুইবার নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল। জোয়ারের তাণ্ডবে ঢেউ দ্বীপের পূর্ব-উত্তর, পশ্চিম দিকে আঘাত হানছে বেশি। ইতোমধ্যে দেড়-দুই কিলোমিটার সৈকত ভেঙে গেছে। উপড়ে পড়েছে অর্ধশতাধিক নারকেল গাছ। জরুরি ভিত্তিতে পাথরের সিসি ব্লক দিয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ না হলে ৬০টি হোটেল-মোটেল, ৪০০টি বসতবাড়িসহ নানা স্থাপনা বিলীন হয়ে যেতে পারে। এখন জোয়ারের পানিতে কয়েকটি হোটেল, বেশকিছু বসতবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। বালুভর্তি জিও টিউব ও বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু জোয়ারের ধাক্কায় তাও ভেঙে যাচ্ছে। বর্ষায় সমুদ্রের তাণ্ডব বেড়ে গেলে অথবা ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানলে জিও টিউব বাঁধ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন হোটেল-রেস্তোরাঁসহ দ্বীপের বিপুল অংশ সাগরগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে সেন্টমার্টিনে নির্মাণ করা হয়েছে ১২৬টি হোটেল-কটেজ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী তানজির সাইফ আহমেদ বলেন, আগে সেন্টমার্টিনে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বেড়িবাঁধ নির্মাণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ কারণে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সাগরে নিম্নচাপের প্রভাব

জোয়ারে ভাঙছে সেন্টমার্টিন, ঝুঁকিতে হোটেল বসতবাড়ি

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৮ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিম্নচাপের প্রভাবে কয়েক দিন ধরে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। জোয়ারের ধাক্কায় কক্সবাজার সৈকতের হাল হচ্ছে সেন্টমার্টিনেও। চার দিনের তাণ্ডবে দ্বীপের পূর্ব-উত্তর ও পশ্চিম পাশের প্রায় দুই কিলোমিটার সৈকত ভেঙে গেছে। ঝুঁকিতে পড়েছে পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও ঘরবাড়ি।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ৯ দিনে বঙ্গোপসাগরে দুইবার নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল। জোয়ারের তাণ্ডবে ঢেউ দ্বীপের পূর্ব-উত্তর, পশ্চিম দিকে আঘাত হানছে বেশি। ইতোমধ্যে দেড়-দুই কিলোমিটার সৈকত ভেঙে গেছে। উপড়ে পড়েছে অর্ধশতাধিক নারকেল গাছ। জরুরি ভিত্তিতে পাথরের সিসি ব্লক দিয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ না হলে ৬০টি হোটেল-মোটেল, ৪০০টি বসতবাড়িসহ নানা স্থাপনা বিলীন হয়ে যেতে পারে। এখন জোয়ারের পানিতে কয়েকটি হোটেল, বেশকিছু বসতবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। বালুভর্তি জিও টিউব ও বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু জোয়ারের ধাক্কায় তাও ভেঙে যাচ্ছে। বর্ষায় সমুদ্রের তাণ্ডব বেড়ে গেলে অথবা ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানলে জিও টিউব বাঁধ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন হোটেল-রেস্তোরাঁসহ দ্বীপের বিপুল অংশ সাগরগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে সেন্টমার্টিনে নির্মাণ করা হয়েছে ১২৬টি হোটেল-কটেজ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী তানজির সাইফ আহমেদ বলেন, আগে সেন্টমার্টিনে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বেড়িবাঁধ নির্মাণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ কারণে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন