বাঘায় নাজি-আম্বিয়া দম্পতির লাশ উদ্ধার
jugantor
বাঘায় নাজি-আম্বিয়া দম্পতির লাশ উদ্ধার

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর বৃদ্ধ নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের অমরপুর বিলপাড়া গ্রাম থেকে এই জোড়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা যায়, উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের অমরপুর বিলপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দিন (৭৫) ও তার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম (৬৫) মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। প্রতিদিন তারা সকালে ঘুম থেকে ওঠে। কিন্তু বুধবার সকাল ৭টা পর্যন্ত তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পাশের বাড়ির নেপাল শেখ নামের এক বৃদ্ধ তার বাড়িতে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখেন আম্বিয়া বেগম বারান্দায় চকির ওপর চটের বস্তা গায়ে দিয়ে এবং নাজিম উদ্দিন বারান্দায় চকির নিচে শুয়ে আছেন। কাছে গিয়ে দেখেন তারা মৃত পড়ে আছেন। স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এদিকে নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির নাতি ইমন হোসেনের স্ত্রী খদেজা খাতুন সাগরী ১৫ নভেম্বর আত্মত্যার কয়েকদিন পর থেকে ইমন ঠিকমতো বাড়িতে থাকে না। এ নিয়ে নাজিম-আম্বিয়া দম্পতি মানসিক চাপে ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে বাঘা থানার এসআই দুরুল হুদা বলেন, নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির নাতি বৌ ১৫ নভেম্বর আত্মহত্যা করেন। এ ছাড়া ৩ বছর আগে নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির ছেলে কামরুজ্জামান আত্মহত্যা করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক চাপে তারা আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

বাঘায় নাজি-আম্বিয়া দম্পতির লাশ উদ্ধার

 বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর বৃদ্ধ নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের অমরপুর বিলপাড়া গ্রাম থেকে এই জোড়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা যায়, উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের অমরপুর বিলপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দিন (৭৫) ও তার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম (৬৫) মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। প্রতিদিন তারা সকালে ঘুম থেকে ওঠে। কিন্তু বুধবার সকাল ৭টা পর্যন্ত তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পাশের বাড়ির নেপাল শেখ নামের এক বৃদ্ধ তার বাড়িতে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখেন আম্বিয়া বেগম বারান্দায় চকির ওপর চটের বস্তা গায়ে দিয়ে এবং নাজিম উদ্দিন বারান্দায় চকির নিচে শুয়ে আছেন। কাছে গিয়ে দেখেন তারা মৃত পড়ে আছেন। স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এদিকে নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির নাতি ইমন হোসেনের স্ত্রী খদেজা খাতুন সাগরী ১৫ নভেম্বর আত্মত্যার কয়েকদিন পর থেকে ইমন ঠিকমতো বাড়িতে থাকে না। এ নিয়ে নাজিম-আম্বিয়া দম্পতি মানসিক চাপে ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে বাঘা থানার এসআই দুরুল হুদা বলেন, নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির নাতি বৌ ১৫ নভেম্বর আত্মহত্যা করেন। এ ছাড়া ৩ বছর আগে নাজিম-আম্বিয়া দম্পতির ছেলে কামরুজ্জামান আত্মহত্যা করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক চাপে তারা আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন