খানসামায় মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুকে হত্যা
jugantor
খানসামায় মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুকে হত্যা

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুরের খানসামায় ৮ বছরের শিশু আরিফুজ্জামানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, শিশুটিকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার পর মুক্তিপণ দাবি ও মুক্তিপণ না পেয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

আরিফুজ্জামান খানসামার খামারপাড়া ইউনিয়নের কায়েমপুর গ্রামের আতিউর রহমানের ছেলে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকালে খানসামা উপজেলার কায়েমপুর মাঠে খেলার সময় একই গ্রামের শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবক বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার নামে আরিফুজ্জামানকে বাসায় নিয়ে যায়। এরপর রাত প্রায় ৮টার দিকে মুঠোফোনে শিশুর বাবা আতিউরের কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে শিশুটিকে বলৎকার করে ও চিনে ফেলার ভয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। লাশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। ঘটনার পরদিন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শরিফুলকে আটক করে খানসামা থানা-পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রোববার রাত ৯টার দিকে হত্যার কথা স্বীকার করে শরিফুল। পরে শরিফুলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শরিফুলের বাড়ির আঙিনা থেকে ওই শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার ইফতেখার আহমেদ সোমবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিং-এ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক শরিফুল হত্যার কথা স্বীকার করেছে। শরিফুল ইসলাম খানসামা উপজেলার কায়েমপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

খানসামায় মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুকে হত্যা

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুরের খানসামায় ৮ বছরের শিশু আরিফুজ্জামানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, শিশুটিকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার পর মুক্তিপণ দাবি ও মুক্তিপণ না পেয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

আরিফুজ্জামান খানসামার খামারপাড়া ইউনিয়নের কায়েমপুর গ্রামের আতিউর রহমানের ছেলে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকালে খানসামা উপজেলার কায়েমপুর মাঠে খেলার সময় একই গ্রামের শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবক বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার নামে আরিফুজ্জামানকে বাসায় নিয়ে যায়। এরপর রাত প্রায় ৮টার দিকে মুঠোফোনে শিশুর বাবা আতিউরের কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে শিশুটিকে বলৎকার করে ও চিনে ফেলার ভয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। লাশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। ঘটনার পরদিন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শরিফুলকে আটক করে খানসামা থানা-পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রোববার রাত ৯টার দিকে হত্যার কথা স্বীকার করে শরিফুল। পরে শরিফুলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শরিফুলের বাড়ির আঙিনা থেকে ওই শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার ইফতেখার আহমেদ সোমবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিং-এ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক শরিফুল হত্যার কথা স্বীকার করেছে। শরিফুল ইসলাম খানসামা উপজেলার কায়েমপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন