ব্যাগ ছিনিয়ে নিতেই চন্দনকে ছুরিকাঘাত
jugantor
যশোরে ঘাতকের স্বীকারোক্তি
ব্যাগ ছিনিয়ে নিতেই চন্দনকে ছুরিকাঘাত

  যশোর ব্যুরো  

২৫ জুন ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে বিমানবাহিনীর অডিটর চন্দন কুমার ঘোষকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে আটক হাসিবুর রহমান শুভ। চন্দনের ব্যাগ ছিনিয়ে নিতেই তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। এ ছিনতাইয়ের সঙ্গে চারজন জড়িত বলে জানিয়েছে শুভ। রোববার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন আসামির এ জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আটক শুভ শহরের বেজপাড়া এলাকার আবদুল হালিমের ছেলে।

জবানবন্দিতে শুভ জানিয়েছে, তারা চার বন্ধুই মাদকাসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করতে ছিনতাই, চুরিসহ নানা অপরাধ, অপকর্ম করে বেড়ায়। একজনের বাড়ি মুড়লী আর তিনজনের বেজপাড়া এলাকায়। ১৯ জুন সন্ধ্যায় তারা চারজন একসঙ্গে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়।

আদ-দ্বীন হাসপাতালের দিকে যায়। সময় অনুমান ভোর ৪টা। শুভ বাড়িতে যেতে চায়; কিন্তু অন্যরা তাকে যেতে দেয় না। এরই মধ্যে যাত্রী নিয়ে একটি রিকশা আসে। দুইজন ওই রিকশায় উঠে যাত্রীকে চেপে ধরে। শুভ ও অন্য একজন ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করা হলে ব্যাগ ছেড়ে দেয়। রিকশাচালক ভয়ে দৌড়ে চলে যায়। এরপর ব্যাগ নিয়ে চারজনেই বেজপাড়া ফুলবাগানে চলে যায়। ব্যাগে মোবাইল, চার্জার ও কয়েকটি কাপড় পাওয়া যায়। শুধু মোবাইল ও চার্জার নিয়ে ব্যাগটি ফেলে দেয়া হয়। সকালে শুভ লোকমুখে জানতে পারে লোকটি মারা গেছে।

এ ঘটনায় ২০ জুন নিহতের বাবা ভবতোষ কুমার ঘোষ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অরুণ কুমার দাস হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে হাসিবুর রহমান শুভকে আটক করেন। শুভকে আদালতে সোপর্দ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুভ আদালতে চন্দন কুমারকে হত্যার কথা স্বীকার ও অন্যদের নাম উল্লেখ করে জবানবন্দি দিয়েছে।

যশোরে ঘাতকের স্বীকারোক্তি

ব্যাগ ছিনিয়ে নিতেই চন্দনকে ছুরিকাঘাত

 যশোর ব্যুরো 
২৫ জুন ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে বিমানবাহিনীর অডিটর চন্দন কুমার ঘোষকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে আটক হাসিবুর রহমান শুভ। চন্দনের ব্যাগ ছিনিয়ে নিতেই তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। এ ছিনতাইয়ের সঙ্গে চারজন জড়িত বলে জানিয়েছে শুভ। রোববার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন আসামির এ জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আটক শুভ শহরের বেজপাড়া এলাকার আবদুল হালিমের ছেলে।

জবানবন্দিতে শুভ জানিয়েছে, তারা চার বন্ধুই মাদকাসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করতে ছিনতাই, চুরিসহ নানা অপরাধ, অপকর্ম করে বেড়ায়। একজনের বাড়ি মুড়লী আর তিনজনের বেজপাড়া এলাকায়। ১৯ জুন সন্ধ্যায় তারা চারজন একসঙ্গে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়।

আদ-দ্বীন হাসপাতালের দিকে যায়। সময় অনুমান ভোর ৪টা। শুভ বাড়িতে যেতে চায়; কিন্তু অন্যরা তাকে যেতে দেয় না। এরই মধ্যে যাত্রী নিয়ে একটি রিকশা আসে। দুইজন ওই রিকশায় উঠে যাত্রীকে চেপে ধরে। শুভ ও অন্য একজন ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করা হলে ব্যাগ ছেড়ে দেয়। রিকশাচালক ভয়ে দৌড়ে চলে যায়। এরপর ব্যাগ নিয়ে চারজনেই বেজপাড়া ফুলবাগানে চলে যায়। ব্যাগে মোবাইল, চার্জার ও কয়েকটি কাপড় পাওয়া যায়। শুধু মোবাইল ও চার্জার নিয়ে ব্যাগটি ফেলে দেয়া হয়। সকালে শুভ লোকমুখে জানতে পারে লোকটি মারা গেছে।

এ ঘটনায় ২০ জুন নিহতের বাবা ভবতোষ কুমার ঘোষ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অরুণ কুমার দাস হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে হাসিবুর রহমান শুভকে আটক করেন। শুভকে আদালতে সোপর্দ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুভ আদালতে চন্দন কুমারকে হত্যার কথা স্বীকার ও অন্যদের নাম উল্লেখ করে জবানবন্দি দিয়েছে।