সুস্থ থাকুন

কোরবানির গোশত খাওয়ায় সচেতনতা

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ডা. আলমগীর মতি

ছবি- সংগৃহীত

কোরবানির ঈদের মাংসের অতিভোজন স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এর ফলে পেট ফাঁপা, বুক-পেট জ্বলাপোড়া করা, পেট ব্যথা করা, বদহজম কোষ্ঠকাঠিন্য ও মলত্যাগে সমস্যা, হঠাৎ ওজন ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, রক্তের সুগার ও কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

তাই হাসপাতাল ও ডাক্তারের চেম্বারে হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনির জটিলতা ও পেট খারাপ হওয়া রোগীর সংখ্যা এ সময় বাড়ে। এ স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে নিচের স্বাস্থ্য সচেতনতা মেনে চলা প্রয়োজন-

- এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পান করা নিশ্চিত করতে হবে, প্রতিদিন ২-২.৫ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। গরু, ছাগল, ভেড়ার মাংসে রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি। দৈনিক গরুর মাংস খাওয়ার নিরাপদ মাত্রা হল তিন আউন্স বা ৮৫ গ্রাম। গোশত রান্না করতে হবে স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখে। গোশত রান্নার আগে চর্বি কেটে বাদ দিয়ে বা গোশত আগুনে কিছুটা ঝলসে নিয়ে রান্না করলে দৃশ্যমান ও অবাঞ্ছিত চর্বি কিছুটা কমানো যায়।

- লাল মাংস ছাড়াও ঘি, মাখন, ক্রিম ইত্যাদিতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। তাই রান্নায় এসব উপাদানের ব্যবহার যতটা সম্ভব কম করুন। দৈনিক খাদ্য তালিকায় চর্বি জাতীয় খাদ্য যেন ৩০ শতাংশের বেশি না হয়, এর মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকবে ৭ শতাংশ।

- খাবারের তালিকায় সালাদকে প্রাধান্য দিন। সালাদ হিসেবে গাজর, টমেটো, শসা, লেটুস ব্যবহার করুন।

ডা. আলমগীর মতি

হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক

মডার্ন হারবাল গ্রুপ

মোবাইল ফোন : ০১৯১১৩৮৬৬১৭