মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই

-অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট, নবাবগঞ্জ

ঢাকার নবাবগঞ্জের নয়নশ্রীর সাপলেজা এলাকায় হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময় সভায় সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় আয়োজক কমিটি -যুগান্তর

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে দল-মতের ঊর্র্ধ্বে থেকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। তবেই আমরা এগিয়ে যেতে পারব। সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই। সোমবার বিকালে ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। খেলার প্রথম ম্যাচে কৈলাইল বনাম কলাকোপা অংশ নেয় এবং ২য় ম্যাচে শোল্লা বনাম শিকারীপাড়া ইউনিয়ন।

তিনি আরও বলেন, শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলাই হচ্ছে সহায়ক শক্তি। আমাদের সবাইকে এ ব্যাপারে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে হবে। আমাদের গড়তে হবে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত দেশ। এ খেলায় তিনি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ ১ লাখ টাকা অনুদান দেন।

একইদিন সাবেক প্রতিমন্ত্রী নয়নশ্রী ইউনিয়নের সাপলেজা মন্দির চত্বরে হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। এ সময় তিনি বলেন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণী ও পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার আলোকে দোহার ও নবাবগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, দোহার ও নবাবগঞ্জ একটি অসাম্প্রদায়িক এলাকা। সকলে মিলেমিশে বাস করছে যুগ যুগ ধরে। আমি এই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতনের শিকার হয়নি। এ সময় এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সাপলেজা শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরকে ২ লাখ ও সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার ক্লাবকে ৫০ হাজার টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন।

এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, দোহার সার্কেল এএসপি মাহবুবুর রহমান, এসি ল্যান্ড শাহনাজ মিথুন মুন্নি, ওসি মোস্তফা কামাল, ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, রেজাউর রহমান রেজা, ইউপি চেয়ারম্যান আলীমোর রহমান খান, মো. ইব্রাহীম খলিল, রিপন মোল্লা, দেওয়ান তুহিনুর রহমান, পলাশ চৌধুরী, মার্সিয়া গমেজ, বিমল গমেজ, টমাস রোজারিও, সুনীল কুমার সরকার, জাতীয় পার্টির নেতা জাহাঙ্গীর চোকদার, একেএম আবদুল হালিম, এমএ মজিদ, সাহিদুল হক খান, ওয়াসিম আহমেদ, শাহাদাত হোসেন, পলাশ রোজারিও, শ্যামল সরকার, আইরিন গমেজ, রেশমী হোসেন, আসমা আক্তার রুমি, তাজনিনা আহমেদ, লিপি গমেজ, খলিল দেওয়ান, মিজানুর রহমান।