স্ত্রীর ৮ বছরের সাজা

দুদকের মামলায় পেশকারের ২৮ বছরের জেল

৮০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ফরিদপুর ব্যুরো

ফরিদপুরে দুদকের মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার ও তার স্ত্রীর বিভিন্ন মেয়াদে অর্থদণ্ডসহ কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারিক হাকিম মতিয়ার রহমান এ আদেশ দেন।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের জিএম শাখার কর্মচারী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার মো. ইমাম উদ্দিনকে ২৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪ টাকা আর্থিক দণ্ড প্রদান করেন। টাকা অনাদায়ে তাকে আরও সাত মাস ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালত একইসঙ্গে এ কাজে সহায়তা করার জন্য ইমাম উদ্দিনের স্ত্রী শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারী কমলা আক্তারকে আট বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও দেড় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় মো. ইমাম উদ্দিন ও কমলা আক্তার আদালতে হাজির ছিলেন। রায়ের পর তাদের দু’জনকে সরাসরি কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

ফরিদপুর দুদকের আইনজীবী মজিবর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ২৬ মে পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ইমাম উদ্দিন তার স্ত্রী অফিস সহকারী কমলা আক্তারের সহায়তায় আদালতের অর্থদণ্ড বাবদ প্রাপ্ত ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এ অভিযোগে ২০১৫ সালের ১৮ জুন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম জিনিয়া জিন্নাত বাদী হয়ে পালং থানায় সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন।

পরে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক হাফিজুর ইসলাম অভিযোগ তদন্ত করে ইমাম উদ্দিন ও কমলা আক্তারকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করেন।