আশা ছাড়তে নারাজ চট্টগ্রামের আর্জেন্টাইন ভক্তরা
jugantor
আশা ছাড়তে নারাজ চট্টগ্রামের আর্জেন্টাইন ভক্তরা

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৪ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম নগরীর প্যারেড মাঠে (চট্টগ্রাম কলেজ মাঠ) বড় পর্দায় আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে এসে হতাশ হয়ে ফিরেছেন কয়েক হাজার সমর্থক। প্রিয় দলের পরাজয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এবারের বিশ্বকাপের সব বড় ম্যাচ দেখানোর জন্য স্থানীয়রা প্যারেড মাঠে বসিয়েছেন বড় পর্দা। মঙ্গলবার শিরোপার অন্যতম দাবিদার আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ দেখতে এখানে ভিড় জমান কয়েক হাজার দর্শক। বিশাল মাঠ প্রায় ভর্তি হয়ে যায়। দেখে মনে হচ্ছিল কোনো মহাসমাবেশ। দুপুর থেকে মেসি-দি মারিয়াদের জার্সি পরে কিশোর-তরুণরা ভিড় জমাতে শুরু করেন। আশা ছিল জয় নিয়ে ফিরবেন। ম্যাচের প্রথমদিকে পেনাল্টি থেকে মেসির দেওয়া গোলে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস-আনন্দে মেতে ওঠেন সমর্থকরা। তবে তাদের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আস্তে আস্তে ম্যাচে ফিরতে শুরু করে সৌদি আরব। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে বসে মেসি-বাহিনী। অপ্রত্যাশিত এই ফলাফলে মুষড়ে পড়েন আর্জেন্টিনাভক্তরা।

খেলা দেখতে আসা চকবাজার এলাকার রোমেল বলেন, ‘এমনটা ঘটবে কখনো চিন্তাই করিনি। প্রিয় দলের পরাজয়ে প্রচণ্ড হতাশ হয়েছি। তারপরও তাদের জন্য শুভকামনা। আশা করি পরের ম্যাচগুলো জিতে মেসিরা ক্ষতি পুষিয়ে দেবেন।’ একই এলাকার জহিরুল ইসলাম হতাশ হলেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে খেলার ব্যাপারে আশাবাদী। এই যুবক বলেন, ‘১৯৯০ সালে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচে ক্যামেরুনের কাছে হেরেও ফাইনাল খেলেছিল। এবারও একই ঘটনা ঘটবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। মেসি সময়মতো জ্বলে উঠবেন।’

আশা ছাড়তে নারাজ চট্টগ্রামের আর্জেন্টাইন ভক্তরা

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৪ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম নগরীর প্যারেড মাঠে (চট্টগ্রাম কলেজ মাঠ) বড় পর্দায় আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে এসে হতাশ হয়ে ফিরেছেন কয়েক হাজার সমর্থক। প্রিয় দলের পরাজয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এবারের বিশ্বকাপের সব বড় ম্যাচ দেখানোর জন্য স্থানীয়রা প্যারেড মাঠে বসিয়েছেন বড় পর্দা। মঙ্গলবার শিরোপার অন্যতম দাবিদার আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ দেখতে এখানে ভিড় জমান কয়েক হাজার দর্শক। বিশাল মাঠ প্রায় ভর্তি হয়ে যায়। দেখে মনে হচ্ছিল কোনো মহাসমাবেশ। দুপুর থেকে মেসি-দি মারিয়াদের জার্সি পরে কিশোর-তরুণরা ভিড় জমাতে শুরু করেন। আশা ছিল জয় নিয়ে ফিরবেন। ম্যাচের প্রথমদিকে পেনাল্টি থেকে মেসির দেওয়া গোলে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস-আনন্দে মেতে ওঠেন সমর্থকরা। তবে তাদের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আস্তে আস্তে ম্যাচে ফিরতে শুরু করে সৌদি আরব। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে বসে মেসি-বাহিনী। অপ্রত্যাশিত এই ফলাফলে মুষড়ে পড়েন আর্জেন্টিনাভক্তরা।

খেলা দেখতে আসা চকবাজার এলাকার রোমেল বলেন, ‘এমনটা ঘটবে কখনো চিন্তাই করিনি। প্রিয় দলের পরাজয়ে প্রচণ্ড হতাশ হয়েছি। তারপরও তাদের জন্য শুভকামনা। আশা করি পরের ম্যাচগুলো জিতে মেসিরা ক্ষতি পুষিয়ে দেবেন।’ একই এলাকার জহিরুল ইসলাম হতাশ হলেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে খেলার ব্যাপারে আশাবাদী। এই যুবক বলেন, ‘১৯৯০ সালে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচে ক্যামেরুনের কাছে হেরেও ফাইনাল খেলেছিল। এবারও একই ঘটনা ঘটবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। মেসি সময়মতো জ্বলে উঠবেন।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন