বিশ্বকাপ বাড়াবে জনসংখ্যা!

  যুগান্তর ডেস্ক    ২১ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাশিয়া,

২০১৮ বিশ্বকাপে যে দলই শিরোপা জিতুক না কেন, রাশিয়ায় হু হু করে বাড়বে জনসংখ্যা। এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের। কেউ বলছেন কাকতালীয়, কেউ বলছেন বিশ্বকাপের আয়োজক দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির বৈজ্ঞানিক কারণও আছে। পরিসংখ্যানও কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির পক্ষেই কথা বলছে।

তবে যেহেতু ১৯৯২ সালের পর থেকে রাশিয়ার জনসংখ্যা পড়তির দিকে, তাই বিশ্বকাপের সুবাদে জনসংখ্যা বাড়লে সেটা সত্যিই স্বস্তির কারণ হবে।

২০০৬ সালের বিশ্বকাপ হয়েছিল জার্মানিতে। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার নয় মাস পর দেখা যায়, দেশটির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৫ শতাংশ বেড়েছে।

২০১৪ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ছিল ব্রাজিল। ২০১৫ সালের মার্চে ব্রাজিলের শিশু জন্মহার পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, আগের বছরের তুলনায় জন্মহার প্রায় সাত ভাগ বেড়েছে।

শুধু আন্তর্জাতিক ফুটবল নয়, ক্লাব ফুটবলেও ঘটেছে এমনটা। ২০০৯ সালের মে মাসে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার গোলে চেলসিকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে বার্সেলোনা।

২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাতালোনিয়ার হাসপাতালগুলোতে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত জন্মহার বেড়েছিল। ওই প্রজন্মের নাম দেয়া হয় ‘জেনারেশন ইনিয়েস্তা’!

কিন্তু ফুটবলের সঙ্গে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কী সম্পর্ক? এ প্রসঙ্গে প্রজনন বিশেষজ্ঞ রলফ ক্লিশ বলেন, ‘সুখের অনুভূতি বিশেষ ধরনের হরমোন নির্গমন ঘটায় এবং গর্ভধারণে সহায়তা করে। অনেক মানুষই বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টের সময় দারুণ আনন্দিত ও উত্তেজিত থাকেন এবং এই উত্তেজনার বহিঃপ্রকাশ হয়ে থাকে অন্য কোনো কাজের মাধ্যমে।’ ওয়েবসাইট।

ঘটনাপ্রবাহ : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter