জার্মানির অন্য চ্যালেঞ্জ

‘এক হয়ে জয়ের কথা ছাড়া কিছুই ভাবছি না’

  যুগান্তর ডেস্ক    ২৩ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জার্মানি,

কেন তাকে রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে হবে? পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন জার্মানির বড় তারকা টমাস মুলার। বিশ্বকাপে আজ সুইডেনের বিপক্ষে জার্মানির বাঁচা-মরার ম্যাচে শুরু থেকে যার খেলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জার্মান মিডিয়া। জার্মানির বিশ্বকাপ ঘাঁটি সোচিতে সাংবাদিকরা মুলারকে প্রশ্ন করেন, ‘শনিবার আপনাকে রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে হলে কি হতাশ হবেন?’ সঙ্গে সঙ্গে মুলার উত্তর দেন, ‘অবশ্যই। আমি কেন? যে কোনো ফুটবলারই বোধহয় হতাশ হয়ে পড়বে।’

প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে অভাবনীয় হারে জার্মানি শিবির এখন বেশ চাপে। তার ওপর দলের কয়েকজন ফুটবলারের পারফরম্যান্স নিয়ে উঠছে অনেক প্রশ্ন। যেমন মেসুত ওজিল। তার দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেকরাও। তাকে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে না দেখে ও মাঠে গা-ছাড়া ভাব দেখানোয় দলের প্রতি তার দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে। এবার মুলারকে নিয়েও উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

যদিও জার্মান কোচ জোয়াচিম লোর হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রবণতা তেমন নেই। দেশের হয়ে গত চার বছরে ১০ গোল করা মুলারকে হয়তো শুরুর একাদশ থেকে বাদ দেবেনও না। কিন্তু আজ যদি ফের জিততে না পারে জার্মানি, তাহলে লোর দলবাছাই নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। মেক্সিকোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জার্মানির আক্রমণ ভাগের ডানদিকে দিশাহারা মুলারকে দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন। জার্মানি প্রতিপক্ষের গোলমুখ খুলতে না পারার পেছনে অনেকে তার ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন। যে সমালোচনার জবাবে মুলার বলেছেন, ‘গোল করার মতো অবস্থায় আমি সেদিন একবারও আসিনি। তাহলে আমাকে বসানোর প্রশ্ন উঠছে কেন?’

কথাটা অবশ্য ভুল বলেননি মুলার। আসলে কার্লো আন্সেলোত্তির অধিনে বায়ার্ন মিউনিখে ২০১৬-১৭ মৌসুম ভালো না যাওয়ার পর জুপ হেইনকেস কোচ হিসেবে আসার পরে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে ফর্মে ফেরেন মুলার। যে খেলা তিনি জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারছেন না বলে ধারণা জার্মান মিডিয়ার। জার্মান সংবাদিকদের বক্তব্য, আক্রমণের ছক ঠিকমতো সাজিয়ে মুলারের জন্য জায়গা তৈরি করা দরকার। আর এখানেই জার্মান কোচ লোর বড় পরীক্ষা বলে মনে করছেন তারা। তবে কোন দিকটা দেখবেন লো? এক হারেই জার্মানির সাজঘরে যেভাবে অশান্তি শুরু হয়ে গেছে বলে শোনা যাচ্ছে, তা অবাক করার মতো।

দু’দিন আগে খেলোয়াড়দের টিম মিটিং নাকি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। দলে বিভক্তি রয়েছে বলে খবর। বায়ার্নের খেলোয়াড়রা এক দিকে। তাদের সঙ্গে আছেন টনি ক্রুস। ওজিল, খেদিরা, জুলিয়ান ড্রাক্সলাররা একসঙ্গে অন্য টেবিলে বসে দুপুর ও রাতের খাওয়া সারছেন বলে দাবি জার্মান মিডিয়ার। এসবই অস্বীকার করে মুলার বলেন, ‘আমরা যদি নিজেদের মধ্যে এমন দলাদলি করি, তাহলে আর পরের দুটি ম্যাচ জিততে হবে না। বিশ্বাস করুন, আমরা এখন এক হয়ে জয়ের কথা ছাড়া কিছুই ভাবছি না।’ দলের মধ্যে বিভেদ নিয়ে মুলার বলেন, ‘২০১২ ইউরোতে এমন হয়েছিল। বায়ার্ন ও ডর্টমুন্ডের ফুটবলাররা দু’দলে ভাগ হয়ে

গিয়েছিল। এখন সেসব কিছুই নেই।’ তবে তিনি যাই বলুন, আজ সুইডেনকে না হারানো পর্যন্ত জার্মান শিবির সম্পর্কে এই ধরণাটা পাল্টে দিতে পারবেন না মুলাররা। নিন্দুকদের ভুল প্রমাণ করাই এখন জার্মানির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ওয়েবসাইট।

ঘটনাপ্রবাহ : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter