সেরা চার চমক চার সুপার ফ্লপ

  স্পোর্টস ডেস্ক ১৬ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চেরিশেভ,

এবারের অঘটনপ্রসবা বিশ্বকাপে মনে রাখার মতো উপলক্ষের অভাব নেই। ৩২ দলের ৭৩৬ জন ফুটবলারের প্রত্যেকেরই আছে হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার ভিন্ন ভিন্ন গল্প। বিশ্বকাপ প্রতিবারই জন্ম দেয় অনেক নতুন তারকার, আবার অনেক তারকাকে নামিয়ে আনে মাটিতে।

রাশিয়া বিশ্বকাপেও তার ব্যত্যয় হয়নি। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে অনেকে রাতারাতি তারকা হয়ে উঠেছেন। ইউরোপের বড় ক্লাবগুলো এখন ডলার-পাউন্ডের বস্তা নিয়ে ছুটছে তাদের পেছনে। বিপরীতে যেসব চেনামুখ বিশ্বকাপে অচেনা হয়েছিলেন, তাদের চাহিদা ও খ্যাতিতে লেগেছে ভাটার টান। বিশ্বকাপ শেষ।

মাসখানেকের মধ্যে শুরু হয়ে যাবে ক্লাব ফুটবলের ব্যস্ত মৌসুম। তবে বিশ্বকাপের রেশ রয়ে যাবে আরও কিছুদিন। এবারের বিশ্বকাপ যাদের তারকা বানিয়েছে এবং যেসব তারকাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে, তাদের নিয়ে এ আয়োজন।

সেরা চার চমক

বেঞ্জামিন পাভার

ঘটনাচক্রে ফ্রান্সের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়া পাভার এবারের আসরের অন্যতম বড় বিস্ময়। গোটা আসরে দুর্দান্ত খেলে নিজেকে ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ২২ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার। স্টুটগার্ট থেকে তাকে ভাগিয়ে আনার চেষ্টা করছে বার্য়ান মিউনিখ।

হুয়ান ফার্নান্দো কুইনতেরো

কলম্বিয়ার বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ ষোলোতে থেমে গেলেও কুইনতেরোর গতিময় ফুটবল নজর কেড়েছে সবার। ইনজুরির দরুন দলের বড় তারকা হামেস রদ্রিগেজ নিয়মিত খেলতে না পারলেও মাঝমাঠে তার শূন্যতা অনুভূত হতে দেননি কুইনতেরো।

লুকাস তোরেইরা

কলম্বিয়ার কুইনতেরোর মতোই মুগ্ধতা ছড়ানো পারফরম্যান্সে রাতারাতি পাদপ্রদীপের আলোয় চলে এসেছেন তোরেইরা। বিশ্বকাপ তার জীবনটাই পাল্টে দিয়েছে। বিশ্বকাপের মাঝপথেই উরুগুয়ের এই মিডফিল্ডারকে দলে ভিড়িয়েছে আর্সেনাল।

দেনিস চেরিশেভ

একসময় রিয়াল মাদ্রিদে খেললেও গত মৌসুমের বাজে ফর্মের কারণে রাশিয়ার বিশ্বকাপ দলে তার জায়গা ছিল অনিশ্চিত। শেষ পর্যন্ত দলে সুযোগ পেয়ে নিজেকে নতুন করে চিনিয়েছেন চেরিশেভ। পাঁচ ম্যাচে চার গোল করা রুশ উইঙ্গারের চাহিদা এখন আকাশচুম্বী।

চার সুপার ফ্লপ

ডেভিড ডি গিয়া

মেসি, নেইমারের মতো মহাতারকারাও প্রত্যাশার পুরোটা মেটাতে পারেননি এবারের বিশ্বকাপে। তবে নিষ্প্রভতায় সবাইকে ছাপিয়ে গেছেন স্প্যানিশ গোলকিপার ডেভিড ডি গিয়া। চার ম্যাচে মোট একটি সেভ। বিশ্বকাপের পর ম্যানইউ থেকে তাকে ভাগিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও এখন ডি গিয়ার ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

টমাস মুলার

প্রথাগত স্ট্রাইকার না হয়েও আগের দুই বিশ্বকাপে পাঁচটি করে গোল করেছিলেন টমাস মুলার। কিন্তু এবার গোল দূরে থাক, গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারেননি। গ্রুপপর্ব থেকে জার্মানির অভাবনীয় বিদায়ে মুলারের দায় কম নয়।

গ্যাব্রিয়েল জেসুস

ব্রাজিলের মতো হট ফেভারিট দলের মূল স্ট্রাইকার হয়েও বিশ্বকাপে গোলের খাতা খুলতে পারেননি জেসুস। টানা পাঁচ ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েও কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি এই ম্যানসিটি তারকা। উল্টো গোল মিসের মহড়া দিয়ে দলকে ডুবিয়েছেন।

রবার্ট লেওয়ানডোস্কি

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইউরোপীয় অঞ্চলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন লেওয়ানডোস্কি। কিন্তু মূল মঞ্চে ক্লাব সর্তীথ মুলারের মতোই নিজেকে হারিয়ে খুঁজেছেন পোলিশ ফরোয়ার্ড। পাননি গোলের দেখা। অধিনায়কের ব্যর্থতায় গ্রুপপর্ব থেকেই ছুটি হয়ে যায় পোল্যান্ডের। ওয়েবসাইট।

ঘটনাপ্রবাহ : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter