প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা

পুনঃনিরীক্ষায় সাড়ে ২১ হাজার শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৫ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফল পরিবর্তন

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফল চ্যালেঞ্জ করেছিল ৮৮ হাজার ৮৬৯ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ২১ হাজার ৩৪৫ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। অর্থাৎ আবেদন করা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ২৪ শতাংশেরই ফল ভুলভাবে তৈরি করা হয়েছিল, যারা পুনঃনিরীক্ষায় অপেক্ষাকৃত ভালো ফল পেয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, যাদের ফল পরিবর্তন হয়েছে তাদের মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে সাড়ে আট হাজার শিক্ষার্থী। আর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে সহস্রাধিক।

জানা গেছে, কিছুদিন আগে এই ফল প্রকাশ করা হয়। অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ মোবাইল ফোনে এসএমএসে ফল জানতে পেরেছে। কিন্তু ডিপিই তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। এমন পরিস্থিতিতে রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তখন ডিপিই মহাপরিচালক উল্লিখিত তথ্যপ্রকাশ করেন। এতে আরও বলা হয়, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর পিইসি ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এরপর এক মাস ধরে মোবাইল ফোনে এসএমএসে ৯৪ হাজার আবেদন নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে পিইসিরই ছিল উল্লিখিত ৮৮ হাজার ৮৬৯টি আবেদন। অন্যগুলো ইবেতেদায়ি শিক্ষার্থীদের। ডিপিই কর্মকর্তারা জানান, নতুন করে ১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি ইংরেজি, অঙ্ক ও বিজ্ঞান বিষয়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তিত ফলের ওপর ভিত্তি করে পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে বলে উল্লিখিত সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন ডিপিই’র মহাপরিচালবক এএফএম মনজুর কাদির।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×