প্রেস কর্মচারীর মৃত্যু

ময়নাতদন্তের পর হত্যা মামলা

  রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইকবাল হোসেন নামে এক কর্মচারীর মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলে ধারণা করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, নিহতকে উল্টো সোহেল মিয়া নামে আরেক কর্মচারীকে হত্যা মামলার আসামি করে ঘাতকরা। কিন্তু ইকবালের মরদেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পর সব পাল্টে গেল। রোববার অপমৃত্যুর ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হল।

উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা এলাকার বিক্রমপুর স্টিল মিলের সামনে ঝুলন্ত অবস্থায় ইকবাল হোসেনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। ইকবাল রাজধানীর কদমতলী এলাকার কথা এন্টারপ্রাইজ প্রেসের কর্মচারী। ইকবালের পরিবারের পক্ষ থেকে তখন রূপগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়। প্রায় ৩ মাস পর পাওয়া ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পাওয়ায় রোববার বিকালে অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

মামলার বাদী নিহত ইকবাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম। অভিযোগ উঠেছে, ওই প্রেসের মালিক ও কয়েক কর্মচারী তাকে হত্যা করে উল্টো তার নামেই সোহেল মিয়া নামে আরেক কর্মচারী হত্যার ঘটনায় কদমতলী থানায় মামলা করে। পারভীন আক্তারের এজাহার থেকে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার নাগেরপুর থানার ঘুনিপাড়া এলাকার ইকবাল হোসেন দীর্ঘদিন রাজধানীর শনির আখড়ার কদমতলীর ইমরান মিয়ার মালিকানাধীন কথা এন্টারপ্রাইজ প্রেসে কাজ করত। একই প্রেসে টাঙ্গাইল জেলার নাগেরপুর এলাকার হাসান মিয়া, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার জিকর এলাকার মহাসিন মিয়া, শিবালয় থানার বক্সচর এলাকার রহিম বরকতের ছেলে শাহজাহান মিয়া, দৌলতপুর থানার ভীর ছাতিয়ান এলাকার আমিন শেখের ছেলে জনি মিয়া, নাগরপুরের আবদুর রহমান, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের হাজী মহসিন মিয়া, নাগেরপুরের মামুন মিয়া, কবির হোসেন, মহুরদ্দিন মিয়া ও পাটেরবাগের পিয়ার আলী কর্মরত। তারা সবাই ইকবাল হত্যা মামলার আসামি। এদিকে সোহেল মারা যাওয়ার তিন দিন পর রূপগঞ্জের বরপা বিক্রমপুর স্টিল মিলের পেছন থেকে ইকবাল হোসেনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পারভীন ও পরিবারের ধারণা, সোহেলকে ওই আসামিরাই হত্যা করেছে। হয়তো ইকবাল দেখে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, কত চতুর হলে অপরাধীরা এমনটা করতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

E-mail: [email protected], [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter