বিএসএমএমইউতে নিয়োগ পরীক্ষার ফল নিয়ে উত্তেজনা

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৩ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিএসএমএমইউতে নিয়োগ পরীক্ষার ফল নিয়ে উত্তেজনা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রতীক্ষিত এ ফল প্রকাশ করে।

সন্ধ্যায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে জড়ো হন এবং ফল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। রাত সাড়ে নয়টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধরা মিছিল করছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুকৌশলে তাদের ইচ্ছেমতো ফল প্রকাশ করেছে। লিখিত পরীক্ষায় ৮শ’ নিয়োগপ্রার্থীকে পাস করানো হয়েছে।

এর ভেতর থেকে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০ জন পাবেন কাঙ্খিক্ষত সোনার হরিণ। যেখানে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮ হাজার ৫৫১ জন চিকিৎসক। বিক্ষুব্ধরা এ পরীক্ষাকে প্রহসন বলে ফল বর্জন করেছেন।

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চিকিৎসক মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে জানান, আমরা প্রহসনের ফল বর্জন করেছি। বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের অনিয়ম মেনে নেয়া যায় না। কী ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা যায় সে বিষয়ে আমরা রাতে (রোববার) আলোচনা করব। প্রয়োজনে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পিছপা হব না।

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সঙ্গে রাত সাড়ে ৯টায় কথা বলে যুগান্তর। তিনি বলেন, এ ফল প্রধানমন্ত্রী নিজে একটি বিশেষ বাহিনী দিয়ে অনুসন্ধান করিয়েছেন।

যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি তারাই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো পরীক্ষা চেয়েছিল, আবার কেউ কেউ পরীক্ষা ছাড়া নিয়োগের দাবিতে আমার কার্যালয় ঘেরাও করে।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দিতে। শুধু তাই নয়, যারা পরীক্ষায় পাস করবে তারাই চাকরি পাবে, অন্যথায় নয়- এমন নির্দেশনাও দেন তিনি।

যা কিছু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিয়মানুযায়ী হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান উপ-উপাচার্য এবং সাবেক উপাচার্যের সন্তানরা পরীক্ষা দিয়েও পাস করতে পারেনি। তাই এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বিএসএমএমইউতে দু’শ চিকিৎসক নিয়োগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময় অজ্ঞাত কারণে পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ।

এ নিয়ে সেই সময় চাকরিপ্রার্থী চিকিৎসকরা বিক্ষোভ করেন এবং দুপুর ২টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত তিন প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ ও প্রক্টরসহ পদস্থ কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

এরপর প্রশাসন থেকে জানানো হয়, নভেম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে পরীক্ষা গ্রহণের ভেন্যু না পাওয়ায় সেই পরীক্ষা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) অনুষ্ঠিত হয় গত ২২ মার্চ। দু’শ পদের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮ হাজার ৫৫১ জন চিকিৎসক। অর্থাৎ এক পদের বিপরীতে লড়েছেন ৪৩ জন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×