না’গঞ্জে দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাতের প্রস্তুতি

আয়োজনে শামীম ওসমান এমপি

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ

দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত নারায়ণগঞ্জ। আজ বিকালের মধ্যেই সব কাজ সম্পন্ন করে ঈদ জামাতের স্থানসহ পুরো এলাকা প্রশাসনের নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা হবে। দেড় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগমের আশা ব্যক্ত করে এ বৃহৎ ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। স্থানীয়রা এ ঈদ জামাতের নাম দিয়েছেন দেড় লাখিয়া ঈদগাহ ময়দান। সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ঈদুল ফিতরের জামাত।

জানা গেছে, এক সপ্তাহ ধরেই শহরের ইসদাইর এলাকায় একেএম সামছুজ্জোহা স্টেডিয়ামে চলছে এ বৃহৎ ঈদ জামাতের আয়োজনের কাজ। পবিত্র মদিনা শরিফের আদলে স্টিল স্ট্রাকচারের মাধ্যমে প্রায় পৌনে দুই লাখ বর্গফুট এলাকাজুড়ে প্যান্ডেল করা হয়েছে। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য প্রধান ফটকে আকর্ষণীয় তোরণ নির্মান, প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে কার্পেটিং, জামাতের ইমামের জন্য মিম্বর, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও ফ্যানের ব্যবস্থাসহ নানা ধরনের নির্মাণ কাজ চলছে।

সোমবার বিকালে একেএম সামছুজ্জোহা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ঈদ জামাতের এ প্রস্তুতি দেখতে পরিদর্শনে আসেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া। তাদের সঙ্গে ছিলেন র‌্যাব-১১ সিও লেফটেনেন্ট কর্নেল কাজী শাসমের উদ্দিন চৌধুরী, বিজিবির স্থানীয় ৬২ নম্বর ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল আমিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহম্মেদ টিটু, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূরে আলমসহ বিভিন্ন গোয়েন্দ সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এমপি শামীম ওসমান গণমাধ্যমকে জানান, তিনি আশা করছেন এ ঈদ জামাত দেশের সবচেয়ে সুন্দর আয়োজনের এবং অন্যতম বৃহৎ জামাত হবে। তিনি বলেন, আমার ধারণা এ জামাতে মুসল্লির সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়ে যাবে। যদি তাই হয় তবে পাশে অবস্থিত ওসমানী স্টেডিয়ামকেও এই জামাতের আওতায় আনার পূর্ব প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। শোলাকিয়ার মতো এ ঈদ জামাতও এক সময় দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত হতে পারে। এ জামাত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল জামাত হবে বলে তিনি নারায়ণঞ্জবাসীকে আশ্বস্ত করেন। এছাড়া যেহেতু পবিত্র কাবা শরিফ এবং মদিনা শরিফে মহিলাদের জামাতের ব্যবস্থা থাকে, সে অনুযায়ী আগামী ঈদের জামাতে মহিলাদের জন্যও পৃথক জামাতের ব্যবস্থা করা হবে। সেক্ষেত্রে তিনি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করেছেন বলেও জানান। পরবর্তী প্রজন্ম যাতে এটি মনে রাখে এবং ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসকসহ নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রতি আহ্বান জানান সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া জানান, কমপক্ষে দেড় লক্ষাধিক মুসল্লি সমাগমের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সে অনুযায়ী জামাত স্থলকে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় রাখা হবে।