একে খন্দকারকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে : রিজভী

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সত্য ও ইতিহাস এখন বাকশালী হুকুমের কাছে বন্দি। আওয়ামী ম্যানুফ্যাকচার্ড ইতিহাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে সেই লেখক কিংবা ইতিহাসবিদকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। বই প্রকাশের ৫ বছর পর মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বাহিনীর উপপ্রধান ও সাবেক মন্ত্রী একে খন্দকারকে যে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে, সেটি জনগণের কাছে খুবই পরিষ্কার। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, এর আগে কখনও আদালতকে ব্যবহার করে, আবার কখনও বিভিন্ন বাহিনী ব্যবহার করে কবি, সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, জীবনী লেখক, ইতিহাসবিদদের ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে লিখিত গ্রন্থের বিভিন্ন অধ্যায় পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগারদের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকার সত্য ইতিহাস যখন বিভিন্ন লেখকের লেখায় ফুটে ওঠে, তখন তাদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য অবৈধ ক্ষমতার দম্ভে ও গর্বে বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

লেখকদের নানাভাবে বাধ্য করা হয় লেখার ওই অংশটুকু মুছে ফেলতে। ‘ইতিহাসের সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক ঈদ হবে এবার’- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঈদ হবে এবার। কারণ, খালেদা জিয়াকে অবৈধ ক্ষমতার জোরে কারাবন্দি রাখা হয়েছে। বেশিরভাগ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঈদের আনন্দ নেই। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, নাজমুল হক নান্নু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×