এবার নিউজিল্যান্ড বধের অপেক্ষা
jugantor
এবার নিউজিল্যান্ড বধের অপেক্ষা
২০১৭ সালে কার্ডিফে কিউইদের হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বকাপের শুরুতে বাংলাদেশকে সেভাবে গোনায় ধরেনি কেউ। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডকে সেমিফাইনালে দেখছেন অনেকে। নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বাংলাদেশ বিশ্বকাপে মাত্র একটি জয় পাবে। কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ম্যাককালামের কথা ভুল প্রমাণ করেছে। নিউজিল্যান্ড আবার শ্রীলংকাকে দশ উইকেটে হারিয়ে শুরু করেছে বিশ্বকাপ। আগামীকাল দ্য ওভালে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া এ দু’দল মুখোমুখি হবে। প্রোটিয়াদের হারিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ডানা মেলতে শুরু করেছে। টাইগারদের নিয়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। তবে বড় সাফল্যের জন্য যে লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে সেটা জানেন সাকিব-মাশরাফিরা। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করার সুখস্মৃতি আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। তবে নিউজিল্যান্ডের মাঠে সিরিজ জয় দূরে থাক, একটি জয়ও পায়নি টাইগাররা। ইংল্যান্ডের মাটিতে আবার সুখস্মৃতি রয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৭ সালে কার্ডিফে কিউইদের হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেই সুখস্মৃতি নিশ্চয়ই বাংলাদেশকে আলাদা আত্মবিশ্বাস দেবে। এবার লড়াইটা ওভালে। ২০১০ সালের পর দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে কখনও হারেনি বাংলাদেশ। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে তিনবার মুখোমুখি হয়ে হেরেছে একটিতে। সবমিলিয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে থাকলেও সম্প্রতি পারফরম্যান্স আশা দিচ্ছে টাইগারদের।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের সবাই রান পেয়েছেন। সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল শুরুটা দারুণ করেছিলেন। এরপর সাকিব ও মুশফিকের রেকর্ড জুটিতে বড় স্কোরের ভিত পেয়ে যায় বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ও মোসাদ্দেক রানটা নিয়ে যান ৩৩০-এ। বোলিংয়ে অধিনায়ক মাশরাফি ভালো করতে পারেননি। তবে মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রেক-থ্রু এনে দিয়েছেন। আর দুই স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিবের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ধরা দিয়েছে জয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সকিব সব সময়ই দুর্দান্ত। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ম্যাচজেতানো পারফরম্যান্সের পর সাকিব এখন আরও চাঙ্গা। দু’দলের মুখোমুখিতে সর্বোচ্চ ৩৫টি উইকেট এবং ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সাকিবেরই। তাকে ঘিরেই আরও একবার কিউই বধের পরিকল্পনা করছেন মাশরাফিরা। প্রথম ম্যাচে জয়টা জরুরি ছিল। কিন্তু এ জয় আবার সামনের পথচলা কঠিন করে তুলেছে। সামনের বন্ধুর পথ চলার জন্য দলকে আগে থেকেই প্রস্তুত হতে বলেছেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘সামনে আমাদের অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

এবার নিউজিল্যান্ড বধের অপেক্ষা

২০১৭ সালে কার্ডিফে কিউইদের হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ
 স্পোর্টস রিপোর্টার 
০৪ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বকাপের শুরুতে বাংলাদেশকে সেভাবে গোনায় ধরেনি কেউ। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডকে সেমিফাইনালে দেখছেন অনেকে। নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বাংলাদেশ বিশ্বকাপে মাত্র একটি জয় পাবে। কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ম্যাককালামের কথা ভুল প্রমাণ করেছে। নিউজিল্যান্ড আবার শ্রীলংকাকে দশ উইকেটে হারিয়ে শুরু করেছে বিশ্বকাপ। আগামীকাল দ্য ওভালে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া এ দু’দল মুখোমুখি হবে। প্রোটিয়াদের হারিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ডানা মেলতে শুরু করেছে। টাইগারদের নিয়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। তবে বড় সাফল্যের জন্য যে লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে সেটা জানেন সাকিব-মাশরাফিরা। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করার সুখস্মৃতি আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। তবে নিউজিল্যান্ডের মাঠে সিরিজ জয় দূরে থাক, একটি জয়ও পায়নি টাইগাররা। ইংল্যান্ডের মাটিতে আবার সুখস্মৃতি রয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৭ সালে কার্ডিফে কিউইদের হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেই সুখস্মৃতি নিশ্চয়ই বাংলাদেশকে আলাদা আত্মবিশ্বাস দেবে। এবার লড়াইটা ওভালে। ২০১০ সালের পর দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে কখনও হারেনি বাংলাদেশ। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে তিনবার মুখোমুখি হয়ে হেরেছে একটিতে। সবমিলিয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে থাকলেও সম্প্রতি পারফরম্যান্স আশা দিচ্ছে টাইগারদের।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের সবাই রান পেয়েছেন। সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল শুরুটা দারুণ করেছিলেন। এরপর সাকিব ও মুশফিকের রেকর্ড জুটিতে বড় স্কোরের ভিত পেয়ে যায় বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ও মোসাদ্দেক রানটা নিয়ে যান ৩৩০-এ। বোলিংয়ে অধিনায়ক মাশরাফি ভালো করতে পারেননি। তবে মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রেক-থ্রু এনে দিয়েছেন। আর দুই স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিবের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ধরা দিয়েছে জয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সকিব সব সময়ই দুর্দান্ত। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ম্যাচজেতানো পারফরম্যান্সের পর সাকিব এখন আরও চাঙ্গা। দু’দলের মুখোমুখিতে সর্বোচ্চ ৩৫টি উইকেট এবং ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সাকিবেরই। তাকে ঘিরেই আরও একবার কিউই বধের পরিকল্পনা করছেন মাশরাফিরা। প্রথম ম্যাচে জয়টা জরুরি ছিল। কিন্তু এ জয় আবার সামনের পথচলা কঠিন করে তুলেছে। সামনের বন্ধুর পথ চলার জন্য দলকে আগে থেকেই প্রস্তুত হতে বলেছেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘সামনে আমাদের অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।