সংসদে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

১০ হাজার কিমি. নৌপথ পুনর্খনন হচ্ছে

  সংসদ রিপোর্টার ২৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

১০ হাজার কিমি. নৌপথ পুনর্খনন হচ্ছে

দেশের নৌ-যাতায়াত ব্যবস্থা সম্প্রসারণে সারা দেশে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ পুনর্খনন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, ১৭৮টি নদীর ১০ হাজার কিমি. নৌপথ খননের পাশাপাশি নৌপথ রক্ষার্থে নদী কমিশন গঠনসহ নদী দখল, দূষণ রোধে উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদী আমাদের প্রাণ, জীবন ও জীবিকার উৎস।

১৯৬০ সালের আগে দেশের নৌপথের দৈর্ঘ্য ছিল ২৪ হাজার কিলোমিটার। কিন্তু কালক্রমে নৌপথ সংকুচিত হয়ে তা ৬ হাজার কিমি. নেমে আসে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১০ বছরে এক হাজার ৬০০ কিমি. নৌপথ খনন করে। ফলে বর্তমানে নৌপথের দৈর্ঘ্য ৭ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।

ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী জানান, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদের তীর থেকে প্রায় ১২ হাজার ৩৯৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ৩৭২ দশমিক ১২ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে।

শীতলক্ষ্যা নদীর তীরভূমি থেকে প্রায় ২ হাজার ৭৭৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ১৯৪ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। মো. আফজাল হোসেনের প্রশ্নের জবাবে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, নিরাপদ নৌ-চলাচল ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ নৌপথের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ৬টি ভেসেল স্টর্ম শেল্টারস নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‘মেধা ও শ্রম দিয়ে চুক্তি বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে হবে’ : নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের ১০টি দফতর ও সংস্থাপ্রধানরা ২০১৯-২০ অর্থবছরের কর্মসম্পাদন চুক্তিতে সই করেন।

এ সময় খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি শুধু কাগজে-কলমে না রেখে, মেধা ও শ্রম দিয়ে তা বাস্তবায়নে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।

২০২০ সাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীতে তার আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সক্ষম হব।

নৌপরিবহন মত্রণালয়ের ২০১৯-২০ অর্থবছরের এপিএর অগ্রাধিকার কাজ হল- নদীবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোর আধুনিক ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ। উপকূলীয় নৌপথে বাতিঘর ও বয়াবাতি ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

মেরিটাইম ও বন্দর সম্পর্কিত আইন ও বিধি-বিধান প্রণয়ন, প্রয়োগ এবং হালনাগাদকরণ। অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিতকরণ।

অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌপথের নাব্যতা উন্নয়ন ও সংরক্ষণ। যান্ত্রিক নৌযান ব্যবস্থাপনা, সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশন এবং মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ।

বাংলাদেশের জলসীমায় ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে জলযানসৃষ্ট দূষণ নিয়ন্ত্রণ। নৌচলাচল ও নৌ-বাণিজ্য সম্পর্কিত দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×