নিরাপত্তার জন্য হুমকি

রোহিঙ্গা শিবিরে সক্রিয় এক ডজন সন্ত্রাসী গ্রুপ

  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ১১ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা

উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা শিবিরে সক্রিয় অন্তত ১২টি সন্ত্রাসী গ্রুপ। এসব গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে।

চলছে অস্ত্রের মহড়া। সাত মাসে খুন হয়েছে ৩৩ রোহিঙ্গা। অপহরণ, ধর্ষণসহ নানা অপরাধ বাড়ছে, যা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন বিলম্বিত ও ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে শিবিরগুলোকে অস্থিতিশীল করে তোলা হচ্ছে।

বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯১৩। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, যেসব রোহিঙ্গা শিবিরে অপরাধ বেড়েছে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

দায়িত্বশীল সংস্থার তথ্যমতে, উখিয়া-টেকনাফে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রোহিঙ্গাদের ১২টির অধিক দল রয়েছে, যারা শিবিরের অভ্যন্তরে অপরিকল্পিতভাবে দোকানপাট, ইয়াবা ও মাদক বিক্রির আখড়া তৈরি, মানবপাচার, অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি ও মাদকের টাকায় আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহসহ নানা অপরাধকর্মে লিপ্ত।

নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রমতে, টেকনাফের আবদুল হাকিম বাহিনী অপরাধকর্মে বেশি তৎপর। এই বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য যখন-তখন লোকজন অপহরণ করে।

মুক্তিপণ না পেলে হত্যা করে লাশ গুম করে। ইয়াবা, মানব পাচারে যুক্ত থাকার পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারীদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। ২০১৬ সালের ১৩ মে টেকনাফের মুছনী রোহিঙ্গা শিবিরের পাশে শালবন আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায় হাকিম বাহিনী। এ সময় আনসার কমান্ডার আলী হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে। নিয়ে যায় ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×