মরগ্যানের আনন্দ ফিঞ্চের আক্ষেপ

  ক্রিকইনফো ১২ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমরা এখানে এসেছিলাম জিততে। পারলাম না।

না বললেও চলবে যে, এই আক্ষেপ মেশানো আর্তি অ্যারন ফিঞ্চের। যার হাত ধরে হয়তো ডুবল বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সূর্য।

এজবাস্টনে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে শোচনীয়ভাবে আট উইকেটে হেরে বিশ্বকাপ শেষ করল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। লর্ডসে রোববার ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল। বুধবার প্রথম সেমিফইনালে নিউজিল্যান্ড ১৮ রানে হারায় ভারতকে।

সেমিতে উড়ে যাওয়ার পর ফিঞ্চ স্বীকার করে নেন, তারা সব বিভাগে ধরাশায়ী হয়েছেন। অসি অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপ ছেড়ে যাচ্ছি। প্রাপ্তিও আছে আমাদের। ইতিবাচক অনেক ব্যাপার আছে। তবে এভাবে হেরে বিদায় নেয়াটা পীড়িত করে।’ তিনি যোগ করেন, ‘বিশ্বকাপে আপনাকে সব ম্যাচ জিততে হবে। দুঃখিত, আমরা তা পারিনি। ইংল্যান্ড ব্যাখ্যাতীতভাবে ভালো খেলেছি।’

বিজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যানের অনুভূতি, ‘সত্যিই, আমি ভীষণ আনন্দিত। ভক্তদের ধন্যবাদ। অবিশ্বাস্য সমর্থন পেয়েছি ওদের। এজবাস্টন সবসময় আমাদের পয়মন্ত মাঠ।’ ইংল্যান্ড দলপতি যোগ করেন, ‘সত্যি বলতে কি, এই মাঠে ভারতকে হারানোর পর একই আত্মবিশ্বাস নিয়ে এই ম্যাচ খেলতে নেমেছিলাম

আমরা। আমরা নাটকীয়ভাবে উন্নতি করেছি।’ মরগ্যান বলে যান, ‘শেষবার ইংল্যান্ড যখন বিশ্বকাপ ফাইনালে ১৯৯২-তে খেলে, আমার বয়স তখন মাত্র ছয় বছর। খুব বেশি কিছু মনে নেই। রোববার লর্ডসে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে সুবর্ণ সুযোগ। জিততে পারলে দারুণ হবে।’ ২৭ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড। এবার নিজেদের মাঠে। এবার তাদের সংকল্প, যেভাবে হোক স্বপ্ন সত্যি করতেই হবে। জিততেই হবে বিশ্বকাপ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×