‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’র সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ফারুক

গবাদিপশুকে মানুষের অ্যান্টিবায়োটিক না দেয়ার পরামর্শ

  ঢাবি প্রতিনিধি ২১ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুধকে অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত করার জন্য গবাদিপশুকে মানুষের অ্যান্টিবায়োটিক না দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে (ডুজা) শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাণীসম্পদ চিকিৎসকদের উদ্দেশে এ পরামর্শ দেন তিনি। অধ্যাপক ফারুককে হুমকি ও অমর্যাদার প্রতিবাদে ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় বিএসটিআই’র অসাধু কর্মকর্তাদের অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামও দেয় ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’। সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ফারুক দুধ দূষিত হওয়ার পেছনে তিনটি প্রধান সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। প্রথম সমস্যাটি হচ্ছে, দুধে প্রচুর জীবাণু। যাদের পাস্তুরিত করার সুবিধা আছে, তাদের দুধে কিন্তু জীবাণু থাকার কথা নয়। তার মানে ওই ফেসিলিটিজ বা সুবিধাটুকু সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। এটা ব্যবস্থাপনা ত্রুটি।

গরুকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোকে দ্বিতীয় সমস্যা আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কিছু কিছু কর্মকর্তা আছেন যারা বা কোম্পানির মালিকপক্ষ বলার চেষ্টা করেন, গরুর তো অসুখ হবেই, অসুখ হলে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। আর অ্যান্টিবায়োটিক দিলে স্বাভাবিকভাবে দুধের মধ্যে আসে, যেখানে আমাদের কিছু করার নেই। এটা ঠিক নয়। তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। এর সমাধান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিয়ম হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট হোক, ক্যাপ্সুল হোক, ইনজেকশন হোক সেগুলো দেয়ার পর একটা ‘উইথড্র পিরিয়ড’ আছে। এটা কমপক্ষে একুশ দিন। এই একুশ দিনের মধ্যে দুধটা নেয়া যাবে না- এটা নিয়ম। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, গরুকে হিউম্যান অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া যাবে না। পশু চিকিৎসার জন্য যেসব অ্যান্টিবায়োটিক রয়েছে, সেগুলো দেন।

গরুর খাদ্য উৎপাদনকে তৃতীয় সমস্যা উল্লেখ করে এই গবেষক বলেন, যারা গোখাদ্য উৎপাদন করে তারা এর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক মিশিয়ে দিচ্ছে। এটা বেআইনি কাজ। তিনি বলেন, ফিডের ভিতর যাতে অ্যান্টিবায়োটিক না থাকে তা নিশ্চিত করা উচিত। আইন অমান্যকারীদের শাস্তি দেয়া উচিত। তা হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।

এর আগে অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুককে হুমকি দেয়া ও অমর্যাদার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় বিএসটিআই’র আসাধু কর্মকর্তাদের অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়। আলটিমেটাম না মানা হলে বিএসটিআই অফিস ঘেরাও করার হুমকি দেয় আয়োজক সংগঠন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×