কারও স্বেচ্ছাচারিতার জন্য দুদকের মর্যাদা নষ্ট হতে দেব না

-ইকবাল মাহমুদ

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, আমরা এ প্রতিষ্ঠানটিকে (দুদক) মানুষের আস্থার প্রতীক বানাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। কিন্তু এ কাজে কারও গাফলতি কিংবা স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ক্ষুণœ হতে দেয়া হবে না। বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব, মহাপরিচালক, পরিচালক বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক, সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালদের এক জরুরি সভায় তিনি একথা বলেন। দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্তে আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে কর্মকর্তাদের নিয়ে এ জরুরি সভার আয়োজন করা হয়। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান ও দুদক কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম। সভায় ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্তে কোনো প্রকার অনিয়ম বা শৈথিল্য সহ্য করা হবে না। কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করে- কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ কমিশন ন্যূনতম সহ্য করবে না। যে কোনো কর্মকর্তা ততক্ষণই আমাদের প্রিয় থাকবেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি তার দায়িত্ব সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পালন করবেন। যারা এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হবেন তারা কোনো প্রকার অনুকম্পা পাবেন না।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমি বারবার আপনাদের সতর্ক করি তারপরও যখন অভিযোগ আসে, তখন ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প পথ থাকে না। অনুসন্ধানের টাইমলাইন নিয়ে অনেকবার কথা বলেছি। এখন থেকে যারা টাইমলাইন অনুসরণে ব্যর্থ হবেন তাদের উচিত হবে অপশন দিয়ে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কাজ করা। কারণ এ সুযোগ দুদকের বিধিতে রয়েছে। নথিতে কোয়ারি দিয়ে অনুসন্ধান বা তদন্ত বিলম্ব করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এখন থেকে পরিচালক কিংবা মহাপরিচালক পর্যায়ে কোয়ারি দিয়ে নথি নিচে নামিয়ে দেয়া যাবে না। কমিশনের অনুমোদন ছাড়া কোনো কোয়ারি দেয়া যাবে না। তিনি দুদকের সব কর্মকর্তাকে মানুষের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, টেলিফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অনেকের রূঢ় আচরণের তথ্য আমরা পাই। এখনই সতর্ক হোন। মামলার নথি পর্যালোচনা করে যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি উদ্ঘাটন করেছেন তা দ্রুত সংশোধন করুন। কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, কমিশনের আইনি ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করতে হবে। দুর্নীতিমূলক কোনো ধরনের আচরণ কাম্য নয়। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলে ক্ষমতার দম্ভ থাকে না। অপর কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম বলেন, যেসব নথি আমি পর্যালোচনা করেছি, তাতে যেসব ত্রুটি পেয়েছি তা কাক্সিক্ষত নয়। আপনারা দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে এসব ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করা যেত।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×