মিয়ানমারের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুন: ইউরোপীয় পার্লামেন্ট
jugantor
মিয়ানমারের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুন: ইউরোপীয় পার্লামেন্ট

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারের ওপর বিশ্বব্যাপী ব্যাপক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট (ইপি)। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে এ আহ্বান জানানো হয়।

সেই প্রতিবেদনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব ধরনের অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ, বিক্রয় বা স্থানান্তর স্থগিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য সামরিক ও সুরক্ষা সহায়তা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। এর আগে এসব অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের যাতায়াত বন্ধসহ কিছু সুপারিশ করা হয়েছিল।

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুনের সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ফর দ্য রেকর্ড’ বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানায়, ব্রিটিশ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মিয়ানমারের ‘স্টেট কাউন্সেলর’ অং সান সু চি দাবি করেছিলেন রোহিঙ্গারা তার দেশের নয়, তারা বাংলাদেশি। এ সময় নোবেল পুরস্কার পাওয়া সু চির প্রশংসাও করেছিলেন ক্যামেরুন। কিন্তু পরবর্তীতে যখন সু চির সঙ্গে দেখা হয় তখন ধারণাটি বদলে যায়। ২০১৩ সালে সু চির লন্ডন সফরকালে সবার নজর ছিল তার দেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদের দিকে। যারা মিয়ানমারের বৌদ্ধ দ্বারা নানাভাবে নির্যাতনের শিকার। এ প্রসঙ্গে সু চির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন রোহিঙ্গা আসলে বার্মিজ নয়, তারা বাংলাদেশি। কিন্তু জাতিসংঘের একটি তদন্ত রিপোর্টে উঠে আসে- এখনও রোহিঙ্গারা নির্যাতনের শিকার। সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমার কোনো নজর দিচ্ছে না। গণহত্যা বন্ধ করতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের শাস্তি দিতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, সর্বশেষ মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইয়াঙ্গি লি মানবাধিকার কাউন্সিলে যে বক্তব্য রাখেন সেখানেও একই চিত্র তুলে ধরেন। সহিংসতা বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমার সরকার কিছুই করেনি। এমন পরিস্থিতিতে আমরা এ নিষেধাজ্ঞা জারির আহ্বান জানাই।

মিয়ানমারের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুন: ইউরোপীয় পার্লামেন্ট

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারের ওপর বিশ্বব্যাপী ব্যাপক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট (ইপি)। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে এ আহ্বান জানানো হয়।

সেই প্রতিবেদনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব ধরনের অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ, বিক্রয় বা স্থানান্তর স্থগিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য সামরিক ও সুরক্ষা সহায়তা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। এর আগে এসব অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের যাতায়াত বন্ধসহ কিছু সুপারিশ করা হয়েছিল।

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুনের সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ফর দ্য রেকর্ড’ বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানায়, ব্রিটিশ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মিয়ানমারের ‘স্টেট কাউন্সেলর’ অং সান সু চি দাবি করেছিলেন রোহিঙ্গারা তার দেশের নয়, তারা বাংলাদেশি। এ সময় নোবেল পুরস্কার পাওয়া সু চির প্রশংসাও করেছিলেন ক্যামেরুন। কিন্তু পরবর্তীতে যখন সু চির সঙ্গে দেখা হয় তখন ধারণাটি বদলে যায়। ২০১৩ সালে সু চির লন্ডন সফরকালে সবার নজর ছিল তার দেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদের দিকে। যারা মিয়ানমারের বৌদ্ধ দ্বারা নানাভাবে নির্যাতনের শিকার। এ প্রসঙ্গে সু চির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন রোহিঙ্গা আসলে বার্মিজ নয়, তারা বাংলাদেশি। কিন্তু জাতিসংঘের একটি তদন্ত রিপোর্টে উঠে আসে- এখনও রোহিঙ্গারা নির্যাতনের শিকার। সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমার কোনো নজর দিচ্ছে না। গণহত্যা বন্ধ করতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের শাস্তি দিতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, সর্বশেষ মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইয়াঙ্গি লি মানবাধিকার কাউন্সিলে যে বক্তব্য রাখেন সেখানেও একই চিত্র তুলে ধরেন। সহিংসতা বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমার সরকার কিছুই করেনি। এমন পরিস্থিতিতে আমরা এ নিষেধাজ্ঞা জারির আহ্বান জানাই।