পেঁয়াজ রসুন আদাসহ ছয় পণ্যের দামে উত্তাপ

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এক মাস ধরে বাজারে পেঁয়াজ, রসুন ও আদাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ছয় পণ্য রীতিমতো উত্তাপ ছড়াচ্ছে। অন্য পণ্যগুলো হল- ডাল, ডিম ও ব্রয়লার মুরগি। শীতের আগাম সবজির দামও লাগামছাড়া। বাজারে ইলিশের সরবরাহ না থাকায় অন্য মাছের দামও বেশ চড়া। নিত্যপণ্য কিনতে সাধারণ ভোক্তারা হিমশিম খাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর কাঁচাবাজার, নয়বাজার ও রামপুরা কাঁচাবাজার ঘুরে এবং ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১১০-১১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। একটু ভালোমানের বড় আকারের দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকায় এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৯৫-১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া এক মাস ধরে দেশি রসুন প্রতি কেজি মানভেদে ১৪০-১৫০ টাকায় এবং আমদানি করা রসুন ১৩০-১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মানভেদে প্রতি কেজি আদা ১৭০-২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বাজারে ডিমের দামও বেশ চড়া। বাজারে প্রতি হালি ফার্মের মুরগির ডিম ৩৮-৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে একটু একটু করে ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়ছে। বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ১৩৫-১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বাজারে এক মাস ধরে দেশি মসুরের ডাল ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর নেপালি মসুরের ডাল ১২০-১২৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা মো. ইসমাইল যুগান্তরকে অভিযোগ করে বলেন, যে কটি নিত্যপণ্যের প্রয়োজন, সবগুলোর দাম বেশ চড়া। তিনি বলেন, বাজারে সবকিছুই চাহিদার তুলনায় বেশি আছে, কিন্তু বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

নয়বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা শেখ তন্ময় বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম অনেক বেশি। ডিম কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। রামপুরা বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা শায়লা বেগম বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছে না। কিন্তু বাজারে সরবরাহ পর্যাপ্ত। এখানে ব্যবসায়ীদের কারসাজি আছে। এ কারণে ভোক্তাদের পণ্যটি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একটু ভালোভাবে নজর দিতে হবে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মুদি দোকানদার মোহাম্মদ আলী যুগান্তরকে বলেন, এক মাস ধরে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ডিম ও ডাল বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে তারা বাধ্য হচ্ছেন।

এদিকে বাজারে সব ধরনের সবজি চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছোট শিম ১১০-১২০ টাকা ও একটু বড় আকারের শিম ১৩০-১৩৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি ৩০-৪০ টাকা ও মুলা ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ছোট আকারের প্রতি পিস লাউ ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কেজি প্রতি পাকা টমেটো মান ও আকারভেদে ১০০-১৩০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা ও করলা ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

জানা গেছে, প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৫০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৬০ টাকা, চাষের রুই ৪০০ টাকা, পাবদা ৬৫০-৭৫০ টাকা, টেংরা ৬০০-৭০০ টাকা, শিং ৪০০-৫৫০ টাকা, বোয়াল ৫০০-৭০০ টাকা, চিংড়ি ৬০০-৮০০ টাকা এবং চিতল ৫০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×