শ্রমিক লীগের সম্মেলন কাল

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলন আগামীকাল। বেলা ১১টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম অধিবেশন হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৬৯ সালের ১২ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা লাভ করে জাতীয় শ্রমিক লীগ। ২০১২ সালের সর্বশেষ সম্মেলনে শ্রমিক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পান নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক নেতা শুকুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন জনতা ব্যাংক ট্রেড ইউনিয়নের নেতা সিরাজুল ইসলাম। এ সময়ে ৪৫টি সাংগঠনিক জেলার কমিটি করা হয়।

শ্রমিক লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে চলছে শেষ মুহূর্তের লবিং-তদবির। পদপ্রত্যাশীরা ছুটে চলেছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের অফিস-বাসাবাড়িতে। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও ধানমণ্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে করছেন শোডাউন। নিজেদের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন নানা মাধ্যমে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে এক ডজন নেতা মাঠে তৎপরতা চালাচ্ছেন। সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন শ্রমিক লীগের সহসভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ, বর্তমান কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, সহসভাপতি শাহজাহান খান, সরদার মোতাহের উদ্দিন, নূর কুতুব আলম মান্নান, আমিনুল হক ফারুক, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, মোল্লা আবুল কালাম আজাদ। এ ছাড়া বর্তমান সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ আবারও পদে থাকতে চান। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামও সভাপতি পদে আসতে চান।

সাধারণ সম্পাদক পদের দৌড়ে আছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, খান সিরাজুল ইসলাম, মু শফর আলী, প্রচার সম্পাদক কেএম আযম খসরু, দফতর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, অর্থবিষয়ক সম্পাদক সুলতান আহমেদ, শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণবিষয়ক সম্পদক কাউসার আহমেদ পলাশ, ক্রাফট ফেডারেশন বিষয়ক সম্পাদক এটিএম ফজলুল হক বেশ কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন। তবে বিগত কমিটির সফলতা-ব্যর্থতা হিসাব করলে সভাপতি- সাধারণ সম্পাদকের স্বপদে থাকার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।

সভাপতি পদে আলোচনায় থাকা শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ যুগান্তরকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন মহানগরের নেতৃত্ব দিয়েছি। কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলন সামনে। আমি চাই অভিজ্ঞ ও যোগ্যরা নেতৃত্বে আসুক। ১/১১-র সময় শেখ হাসিনার কারামুক্তি আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণসহ শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে সব শ্রমিক সংগঠন সংগঠিতকরণে দায়িত্ব পালন করেছি।

শ্রমিক লীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, আমি জাতীয় ভলিবল খেলোয়াড় ছিলাম। বর্তমানের ভলিবল ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং খেলোয়াড় সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি। রাজনীতিতে আমি ১৯৮৫ সাল থেকে সক্রিয়। ১৯৯২ সালের জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সালে সাধারণ সম্পাদক ও ২০১০ সাল থেকে একই সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব মোল্লা বলেন, ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আমি। বর্তমান ২০নং ওয়ার্ডের (আগের ২৬নং ওয়ার্ড) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং পল্টন থানার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। নেত্রীর কর্মী হিসেবে আছি। তিনি যে পদে দেবেন সেখানেই কাজ করতে চাই।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×