ডায়োক্সিন দূষণ আতঙ্কে হংকং

  যুগান্তর ডেস্ক ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডায়োক্সিন দূষণ আতঙ্কে হংকং

হংকংয়ে চলমান বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশের ছোড়া কাঁদাসে গ্যাসে ক্ষতিকর ও বিষাক্ত গ্যাস ডায়োক্সিন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় জনগণ।

এতে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটিতে গ্যাস দূষণের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শহরবাসীর শঙ্কা কাঁদানে গ্যাসের মাধ্যমে ছড়ানো ডায়োক্সিন তাদের তাজা ফলমূলেও প্রবেশ করেছে। এজন্য ফলমূল খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তারা।

এমনকি এ ব্যাপারে ইন্টারনেটে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বার্তায় বলা হচ্ছে, নারীরা যেন দুই বছরের মধ্যে গর্ভ ধারণ না করেন। কাঁদানে গ্যাস থেকে ছড়িয়ে পড়া ডায়োক্সিন এবং সায়ানায়েড গর্ভপাত ঘটাতে পারে কিংবা বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম দিতে পারে বলে উদ্বিগ্ন বাসিন্দাদের অনেকেই। শুক্রবার এ খবর দিয়েছে স্ট্রেইট টাইম।

বৃহত্তর গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার দাবিতে পাঁচ মাস ধরে চলছে হংকং বিক্ষোভ। ধারণা করা হচ্ছে, এই ক’মাসে সেখানে ১০ হাজার রাউন্ডেরও বেশি কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ।

গত রোব ও সোমবারের বিক্ষোভে পুলিশ সেখানে প্রচুর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। তাছাড়া ইয়াউ মা-তেই এলাকার কাছেই পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানেও এ সপ্তাহান্তে পুলিশ-বিক্ষোভকারী ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এর পরই জনমনে ডায়োক্সিন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার ওই এলাকার কাছেই অবস্থিত কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালের রোগীদের ভেতরেই থাকতে বলা হয়।

ইন্টারনেট বার্তা ছড়িয়ে ডায়োক্সিন দূষণ আক্রান্ত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। যদিও সরকার বলছে, কাঁদানে গ্যাসে ডায়োক্সিন নেই কিন্তু তা বিশ্বাস করছে না শহরবাসী। সমালোচকরা বলছেন, সরকার বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দেয়ায় মানুষ জানতে পারছে না কাঁদানে গ্যাসে কী কী রাসায়নিক উপাদান আছে।

চলতি সপ্তাহে একটি অনলাইন বার্তায় বলা হয়েছে, ‘এ বার্তা ছড়িয়ে দিন। বিষাক্ত ফল ভক্ষণ এড়িয়ে চলুন। ডায়োক্সিন খুবই বিষাক্ত। ফল ছিলে খেলেও ওই বিষ যাবে না।’

হংকংয়ে কাউলুন উপদ্বীপের ইয়াউ মা-তেই শ্রমিক এলাকার হোলসেল বাজার থেকে সাধারণত বেশির ভাগ ফলের চালান আসে। ওই এলাকাতেই সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ হয়েছে।

ইয়াউ মা-তেই বাজারের ফল বিক্রেতারা তাদের বিক্রি ৮০ শতাংশ কমে গেছে বলে জানিয়েছেন। ক্রেতা না থাকায় অনেক দোকানই আগেভাগে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

তবে বিক্রেতারা ফলে বিষ দূষণ নিয়ে এত ভয়ের কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন। কারণ ফল আসে বক্সের ভেতরে করে। তাছাড়া, যেখানে ফলের চালান নামানো হয় সে জায়গাটি বিক্ষোভস্থল থেকেও ছয় ব্লক দূরে। ‘কাঁদানে গ্যাস অতদূরে না পৌঁছানোরই কথা’, বলেন এক ফল বিক্রেতা। প্রতিদিনই নতুন ফল আসে বলে জানান তিনি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

 
×