লিভিং ঈগল সাইফুল আজমের মৃত্যুতে ফিলিস্তিনে শোক

  যুগান্তর ডেস্ক ১৭ জুন ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবীর ২২ জন ‘লিভিং ঈগলের’ অন্যতম বাংলাদেশের সাবেক সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) সাইফুল আজমের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ফিলিস্তিনেও।


বাংলাদেশের এই বীর বৈমানিককে ইসরাইলবিরোধী প্রতিরোধের অনুপ্রেরণা মনে করেন ফিলিস্তিনিরা। ১৯৬৭ সালে ৬০ দিনের যুদ্ধে তিনিই একমাত্র বৈমানিক, যিনি চার-চারটি ইসরাইলি যুদ্ধবিমানকে ভূপাতিত করেন। আল-জাজিরা।

সাইফুল আজমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন ফিলিস্তিনি ইতিহাসবিদ ওসামা আল আসগর। সেখানে তাকে মহান বৈমানিক আখ্যা দেন তিনি।


ইসরাইলের আগ্রাসন থেকে পবিত্র আল আকসা মসজিদ রক্ষায় ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অবদান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আসগর।


টুইটারে এক শোকবার্তায় ফিলিস্তিনি অধ্যাপক নাজি শুকরি লেখেন- ‘ফিলিস্তিনকে ভালোবাসতেন সাইফুল আজম, জেরুজালেমকে রক্ষার জন্য লড়াই করেছেন তিনি।’


এছাড়া ফিলিস্তিনের প্রখ্যাত সাংবাদিক তামের আল মিশালও সাইফুল আজমের অসামান্য সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন।

১৯৬৭ সালের ৫ জুন জর্ডানের মাফরাক বিমানঘাঁটিতে হামলা করতে আসে ইসরাইলের চারটি যুদ্ধবিমান। হামলা প্রতিহতের দায়িত্ব পান জর্ডান বিমানবাহিনীতে কর্মরত সাইফুল আজম।

ইসরাইলের দুইটি যুদ্ধবিমানকে ভূপাতিত করে একাই তাদের রুখে দেন তিনি। এর দু’দিন পর তিনি বদলি হয়ে যান ইরাকে। সেখানেও বিমানঘাঁটি রক্ষার দায়িত্ব পান তিনি।

এ সময় ইসরাইলের আরও দুটি বিমান ভূপাতিত করেন তিনি। তার এ অবদানের জন্য জর্ডান ও ইরাকের পক্ষ থেকে তাকে সামরিক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

আর যুদ্ধবিমান চালনায় অসাধারণ দক্ষতাকে স্বীকৃতি দিয়ে ২০০১ সালে তাকে লিভিং ঈগল উপাধি দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত