ঈশ্বরদীতে অনুমতি না নিয়ে করোনা টেস্ট, ক্লিনিক মালিক গ্রেফতার
jugantor
ঈশ্বরদীতে অনুমতি না নিয়ে করোনা টেস্ট, ক্লিনিক মালিক গ্রেফতার

  ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি  

১০ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈশ্বরদীতে অনুমতি না নিয়ে করোনা টেস্ট করায় রূপপুর মেডিকেয়ার নামে এক ক্লিনিকের মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঈশ্বরদী থানার ওসি সেখ নাসীর উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে আবদুল ওহাব রানা নামে ওই ক্লিনিক মালিককে আটকের পর বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, আবদুল ওহাব রানা এবং নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামের আরশেদ আলী সরকারের ছেলে সুজন আহমেদ বিভিন্ন কোম্পানির শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষার জন্য ফটু মার্কেট এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার মাঠে তাঁবু টাঙ্গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন।

এই নমুনা তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এরপর অনলাইনে রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের ঠিকানায় রিপোর্ট আসে। অনুসন্ধানে ৫০টি রিপোর্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার আবু সাইদ মুঠোফোনে জানান, ওই নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আসা ৫০ জনের নমুনা টেস্টের সঠিক রিপোর্ট আমরা ৬ জুলাই পাঠিয়েছি। আমাদের জানা ছিল না প্রতিষ্ঠানটির সরকারি অনুমোদন নেই।

তবে রিপোর্টগুলো সঠিক। এ ব্যাপারে মেডিকেয়ারের পরিচালক আরিফুল বারী কিরণ জানান, রাশিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেস্ট রোশেম, নিকিমথ ও রুইনওয়াল্ডের অনুরোধে আমরা করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টেস্টের ব্যবস্থা করি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নমুনা সংগ্রহের জন্য আমাদের একটি প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন। ঈশ্বরদী থানার ওসি শেখ নাসীর উদ্দিন জানান, অনুমতি না নিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট প্রদান প্রতারণার শামিল। আবদুল ওহাব রানাসহ দোষীদের পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে অনুমতি না নিয়ে করোনা টেস্ট, ক্লিনিক মালিক গ্রেফতার

 ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি 
১০ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈশ্বরদীতে অনুমতি না নিয়ে করোনা টেস্ট করায় রূপপুর মেডিকেয়ার নামে এক ক্লিনিকের মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঈশ্বরদী থানার ওসি সেখ নাসীর উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে আবদুল ওহাব রানা নামে ওই ক্লিনিক মালিককে আটকের পর বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, আবদুল ওহাব রানা এবং নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামের আরশেদ আলী সরকারের ছেলে সুজন আহমেদ বিভিন্ন কোম্পানির শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষার জন্য ফটু মার্কেট এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার মাঠে তাঁবু টাঙ্গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন।

এই নমুনা তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এরপর অনলাইনে রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের ঠিকানায় রিপোর্ট আসে। অনুসন্ধানে ৫০টি রিপোর্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার আবু সাইদ মুঠোফোনে জানান, ওই নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আসা ৫০ জনের নমুনা টেস্টের সঠিক রিপোর্ট আমরা ৬ জুলাই পাঠিয়েছি। আমাদের জানা ছিল না প্রতিষ্ঠানটির সরকারি অনুমোদন নেই।

তবে রিপোর্টগুলো সঠিক। এ ব্যাপারে মেডিকেয়ারের পরিচালক আরিফুল বারী কিরণ জানান, রাশিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেস্ট রোশেম, নিকিমথ ও রুইনওয়াল্ডের অনুরোধে আমরা করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টেস্টের ব্যবস্থা করি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নমুনা সংগ্রহের জন্য আমাদের একটি প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন। ঈশ্বরদী থানার ওসি শেখ নাসীর উদ্দিন জানান, অনুমতি না নিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট প্রদান প্রতারণার শামিল। আবদুল ওহাব রানাসহ দোষীদের পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।