করোনা উপসর্গ নিয়ে ১৬৬৭ জনের মৃত্যু
jugantor
সিজিএসের প্রতিবেদন
করোনা উপসর্গ নিয়ে ১৬৬৭ জনের মৃত্যু

  ঢাবি প্রতিনিধি  

১০ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ১৬৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি (বিপিও)। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের (সিজিএস) একটি প্রকল্প। মূলত করোনা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের ২৫টি গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ করে ৮ মার্চ থেকে প্রতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।

২৫টি গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবারের প্রতিবেদনে বিপিও জানিয়েছে, ২২ মার্চ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ বা উপসর্গ নিয়ে ১৬৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উপসর্গ নিয়ে মৃতদের মধ্যে ৩৫৮ জন ঢাকা বিভাগের, ৫১৫ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২০৮ জন খুলনা বিভাগের, ১৭১ জন রাজশাহী বিভাগের, ১৯৩ জন বরিশাল বিভাগের, ৯১ জন সিলেট বিভাগের, ৭৪ জন রংপুর বিভাগের ও ৫৭ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। করোনা রোগীর মতো উপসর্গ নিয়ে মারা

গেলেও তারা করোনা আক্রান্ত নাও হতে পারে। এটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে ৮৫ শতাংশের করোনা পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণা প্রতিবেদনে।

সিজিএসের প্রতিবেদন

করোনা উপসর্গ নিয়ে ১৬৬৭ জনের মৃত্যু

 ঢাবি প্রতিনিধি 
১০ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ১৬৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
 

বৃহস্পতিবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি (বিপিও)। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের (সিজিএস) একটি প্রকল্প। মূলত করোনা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের ২৫টি গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ করে ৮ মার্চ থেকে প্রতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।
 

২৫টি গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবারের প্রতিবেদনে বিপিও জানিয়েছে, ২২ মার্চ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ বা উপসর্গ নিয়ে ১৬৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
 

উপসর্গ নিয়ে মৃতদের মধ্যে ৩৫৮ জন ঢাকা বিভাগের, ৫১৫ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২০৮ জন খুলনা বিভাগের, ১৭১ জন রাজশাহী বিভাগের, ১৯৩ জন বরিশাল বিভাগের, ৯১ জন সিলেট বিভাগের, ৭৪ জন রংপুর বিভাগের ও ৫৭ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। করোনা রোগীর মতো উপসর্গ নিয়ে মারা

গেলেও তারা করোনা আক্রান্ত নাও হতে পারে। এটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে ৮৫ শতাংশের করোনা পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণা প্রতিবেদনে।